কলকাতা : ফের তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারী বলেন,' ও সব ধর্ম নিরপেক্ষতা চলবে না। দোল উৎসবেও বাদ গেল না ধর্ম নিয়ে রাজনৈতিক আকচাআকচি। মূলত, এদিন শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মতিথি উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, আজকের এই বিশেষ দিনে আমাদের শপথ নিতে হবে যে শ্রীচৈতন্যদেবের বাংলার ধর্মনিরপেক্ষতার, সহিষ্ণুতার গায়ে আমরা দাগ লাগতে দেব না। 'আর এদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী এলাকা ভবানীপুরে দাঁড়িয়ে পাল্টা হুঙ্কার ছাড়লেন বিরোধী দলনেতা।
নাস্তিকতা আর সেকুলারিজমকে নিপাত দিতে হবে, ও সব ধর্ম নিরপেক্ষতা চলবে না : শুভেন্দু
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, নাস্তিকতা আর সেকুলারিজমকে নিপাত দিতে হবে। ও সব ধর্ম নিরপেক্ষতা চলবে না। এই দেশের নাম হিন্দুস্তান। এখানে হিন্দুরা রাজত্ব করবে।' বিধানসভা ভোটের আগে, হিন্দু-মুসলিম, মন্দির-মসজিদ, গীতা-কোরান নিয়ে সংঘাত সপ্তমে পৌঁছেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন দুর্গাঙ্গন থেকে মহাকাল মন্দির তৈরির ঘোষণা করছেন, তখন, তৃণমূল থেকে সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুয়ায়ুন কবীর মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ তৈরি করছেন।বিজেপি নেতারা আবার রামমন্দিরের শিলাপুজো করছে। লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠে অংশ নিচ্ছে। আর, এনিয়েই চড়ছে রাজনীতির পারদ।আর এনিয়েই তৃণমূল-বিজেপি দু-দলকেই কটাক্ষ করেছে সিপিএম।সব মিলিয়ে বিধানসভা ভোটের আগে ধর্মময় রাজনীতি।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের আগে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সবচেয়ে ফ্য়াক্টর হয় দাঁড়িয়েছে ধর্ম।এই আবহে দোলযাত্রা ও হোলির উৎসব অনুষ্ঠান থেকে, সোমবার জৈনদের জন্য় নিউটাউনে মন্দির তৈরির কথা ঘোষণা করেন মুখ্য়মন্ত্রী। মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেন, জৈন সম্প্রদায়ের জন্য় আপনারা আমায় একটা অনুরোধ করেছিলেন, যদি নিউটাউনে কোনও জায়গা পাওয়া যায়, আপনারা একটা জৈন মন্দির তৈরির চেষ্টা করবেন। আমি ওইদিনই বলেছি, আপনারা ট্রাস্ট বানান। জমি আমরা খুঁজে নিয়েছি। বিশ্ব বাংলা গেটের কাছে, ৬০০ মিটারের ভিতর, ৫ একর জমি কনসেশনাল রেটে আপনাদের দেওয়া হবে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, উনি এখন মন্দির বানাচ্ছেন। মমতা দিদি, আমরা রাম মন্দির বানিয়েছি, সাড়ে ৫০০ সাল পর, রামলালাকে নতুন মন্দিরে বসানোর কাজ নরেন্দ্র মোদি করেছেন।কাশী বিশ্বনাথ করিডর বানানো হয়েছে। মহাকাল করিডর বানানো হয়েছে। আপনি সেসব কিচ্ছু করেননি। এখন আপনার মন্দিরের কথা মনে পড়েছে? প্রশ্ন তোলেন।