দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে নজরদারি ও নিরাপত্তায় জোর দিলেন বিএসএফের ডিজি প্রবীণ কুমার। শুক্রবার থেকে আজ পর্য়ন্ত ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের গভীর সুন্দরবন বদ্বীপ ও সংলগ্ন উপকূল এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি ED-র চার্জশিটে, "শান্তনুর কথাতেই বাতিল হয়েছিল পোস্টিং লিস্ট.."

Continues below advertisement

বাহিনীর কর্মতৎপরতা বা অপারেশনাল প্রস্তুতি, সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ পর্যালোচনা করেন। ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত দুর্গম ও প্রতিকূল পরিবেশে দায়িত্ব পালনে সীমান্ত রক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পেশাদারিত্ব, সততা এবং বাহিনীর মূল লক্ষ্য ও দায়িত্বের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান বাহিনীর কাছে আহ্বান জানান। পাশাপাশি, স্থানীয় বাসিন্দা ও সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে জনসংযোগমূলক বৈঠকও করেন প্রবীণ কুমার। সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার মানুষ ও বাহিনীর মধ্যে সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে জোর দেন।

অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিজেপি সরকার যে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে, সম্প্রতি তা ফের স্পষ্ট করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। দিলেন শিল্প নিয়ে বার্তা ভবানীপুরে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মিলিত অনুষ্ঠানে অনুপ্রবেশ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে তারাতলাকাণ্ডে উদ্ধারকারীদের দিয়েছিলেন সম্বর্ধনা। অনুপ্রবেশ নিয়ে ফের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ভবানীপুরের বিশিষ্ট নাগরিকদের সঙ্গে মিলিত হন শুভেন্দু অধিকারী।সেই অনুষ্ঠানে একযোগে তৃণমূল ও বামেদের নিশানা করার পাশাপাশি, বার্তা দেন অনুপ্রবেশ নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন,আমি দ্রুত আইন লাগু করেছি। জেলে পাঠিও না। ২ বছর থাকবে, খাবার খাবে, পাঠিও না। সোজা ওঠাও, BSF-এর হাতে দাও, পুরা ভাগাও। যাও। রাস্তা তো তারা জানে কোথা দিয়ে এসেছে, কোথা দিয়ে যেতে হবে। ১২টি হোল্ডিং স্টেশন তৈরি করেছি। ১০ হাজার বৈধভাবে পাঠানো হয়েছে। অবৈধভাবে কত পালিয়েছে, জানি না।  রাজ্যে বিনিয়োগ নিয়েও শিল্পপতিদের বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, পরিস্থিতি বদলাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ করুন। বিনিয়োগকারীদের জন্য শিল্প-বান্ধব পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। লগ্নিকারীদের জন্য ইনসেনটিভ দেবে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে এদিনই আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে তারাতলাকাণ্ডে উদ্ধারকারীদের সম্বর্ধনা দেওয়া হয়।  মুখ্যমন্ত্রী  শুভেন্দু অধিকারী বলেন, কলকাতায় বিগত কয়েক বছরে যে বড় বড় ঘটনা ঘটেছে, সেখানে উদ্ধারকাজ হয়েছে কিন্তু এভাবে তৎক্ষণাৎ একসঙ্গে সবাই মিলে, সমন্বয়ের মাধ্য়মে, জনগণ, সরকার আপনাদের থেকে যা আশা করে, আপনারা সেটাই করেছেন।তারাতলার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপের কথাও জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।