কলকাতা: চিংড়িঘাটায় আটকে থাকা মেট্রো প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ শুরু হল। এর জন্য সোমবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দ্বিতীয় দফায় ২২মে রাত ৮ টা থেকে ২৫মে সকাল ৮ টা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করা হবে যান চলাচল। সরকার বদলাতেই, চিংড়িহাটায় মেট্রো প্রকল্পের জট কেটেছে। শুক্রবার থেকেই শুরু হয়ে গেল অবশিষ্ট কাজ। পিলার বসানো হয়েছিল অনেক আগেই। কিন্তু বসানো হয়নি গার্ডার। মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তৎকালীন তৃণমূল সরকারের সংঘাতে আটকে ছিল এই ৩৬৬ মিটার কাজ। এবার বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই মিলেছে গ্রিন সিগনাল। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে কাজ।
কীভাবে কাজ? কতটা এগোল?
মেট্রো সূত্রে খবর, সোমবারের মধ্যেই ৩১৭ থেকে ৩১৮ নম্বর পিলারে গার্ডার বসানোর কাজ শেষ হবে। পরের সপ্তাহের শেষে ৩১৮ থেকে ৩১৯ নম্বর পিলারে গার্ডার বসবে। তার জন্য প্রথম দফায় সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত চিংড়িঘাটায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দ্বিতীয় দফায় ২২মে রাত ৮ টা থেকে ২৫মে সকাল ৮ টা পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করা হবে যান চলাচল। প্রথম দফায় যান নিয়ন্ত্রণ চলাকালীন বন্ধ রাখা হবে উল্টোডাঙাগামী বাইপাসের মূল রাস্তা। বদলে ব্যবহার করা হবে NX হোটেলের সামনে থেকে তৈরি হওয়া সমান্তরাল রাস্তা। যা কিছুদূর গিয়ে মিশছে চিংড়িঘাটা বাসস্ট্যান্ডের সামনে। বন্ধ রাখা হবে চিংড়িঘাটা থেকে নিক্কোপার্কের দিকে যাওয়ার একমুখী ফ্লাইওভারও। তবে এই পর্বে চিংড়িঘাটা হয়ে দক্ষিণ কলকাতাগামী বাইপাসের মূল রাস্তায় যান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না।
কোন রাস্তা দিয়ে ঘোরানো হবে গাড়ি?
দ্বিতীয় দফায় যান নিয়ন্ত্রণ চলাকালীনও একইভাবে বন্ধ রাখা হবে উল্টোডাঙাগামী বাইপাসের মূল রাস্তা। সল্টলেক বা নিউটাউনের দিক থেকে আসা গাড়ি চিংড়িঘাটা মোড় থেকে শুধুমাত্র বাঁদিকে টার্ন নিতে পারবে। কিন্তু কোনও গাড়ি এখান থেকে ডানদিকে যেতে পারবে না। ডানদিকে যেতে হলে গাড়িগুলিকে মেট্রোপলিটন ক্রসিং থেকে ইউ টার্ন দিতে হবে। উল্টোডাঙার হাডকো মোড় থেকে বাইপাসের দিকে ঢুকতেই পারবে না কোনও পণ্যবাহী গাড়ি। চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ শুরু হতেই এদিন এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন হয়েছে। ডবল ইঞ্জিন সরকার এসেছে। তিন বছর ধরে আটকে থাকা চিংড়িঘাটার সমস্যার সমাধান হয়েছে। কলকাতা পুলিশেরও অনুমতি পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: Biswa Bangla Logo: ডার্বির আগেই বদলে গেল যুবভারতীর ছবিটা! সরিয়ে দেওয়া হল বিশাল 'বিশ্ববাংলা' লোগো
