হাওড়া: ১৩ বছর পর পুরভোট হবে হাওড়ায়। প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়ে আজ কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) ? প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ। এদিন তিনি বলেন, 'হাওড়ায় পরিশ্রুত পর্যাপ্ত পানীয় দল, নিকাশি, নাগরিক পরিষেবায় জোর দেওয়া হবে।... ’

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ২০ জুন পর্যন্ত রাজ্যে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী

Continues below advertisement

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হাওড়া কর্পোরেশন, ইনক্লুডিং বালি , নির্বাচন না হওয়ার ফলে এখানে জনগণের নিত্যদিনের যে পরিষেবা, ভীষণভাবে বিঘ্নিত হচ্ছিল। তার সঙ্গে সঙ্গে বিদায়ী সরকারের যে দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তাঁদের কাছে রেল ছিল শত্রু। এবার হাওড়া সিটি, রেলকে বাদ দিয়ে, রেলের যে সিস্টেম আছে, রেলের যে আধিকারিকরা আছেন,  রেলওয়ে অর্গানাইজেশন রয়েছে, তাঁকে বাদ দিয়ে হয় না। আমরা এখানে হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার ৪ এমএলএ সহ আমাদের ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে, সিভিক অ্যাডমিনিসস্ট্রেশন ইনক্লুডিং এইএমসি এবং বালি মিউনিসিপ্যালিটি, কেএমডিএ, ..…সিপি-সহ পুলিশ আধিকারিকরা ছিলেন। ইস্ট্রান, সাউথ ইস্ট্রান, ডিআরএম ছিলেন। আমরা ফুল কর্ডিনেশন মিটিং করলাম। কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে প্রায়োরিটি ওয়ান, পরিশ্রুত পর্যাপ্ত পানীয় জল। দুই ক্লিনিং। তিন নিকাশী ব্যবস্থা। চার অন্যান্য নাগরিক পরিষেবাগুলিকে, ইনক্লুডিং পার্ক থেকে শুরু করে, স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে, পৌরসভা পরিচালিত এডুকেশন…সেগুলিকে ঠিকঠাকভাবে করা।…একটা কো-অর্ডিনেশন কমিটি গড়া হয়েছে।তাকে কোর্ডিনেট করবেন ডিস্ট্রিক ম্যাজিস্ট্রেট।  হাওড়া শহরের প্রাথমিক চাহিদা পূরণ করা হবে। …প্রাথমিক চাহিদাগুলিকে পূরণ করে, লংটার্মে হাওড়াকে আরও বিকশিত নগরি তৈরি করা। ডিলিমিটেশনের কাজ সম্পূর্ণ করে যত দ্রুত সম্ভব এই বছরের মধ্যে নির্বাচিত কর্পোরেশন বা পৌরসভার হাতে দায়িত্বভার হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আমরা আজকের মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।...আমাদের বিশ্বাস, আমরা ডিসেম্বরের মধ্য়ে, সবঠিক ঠাক থাকলে, গণতান্ত্রিক পৌরবোর্ডের হাতে হাওড়া কর্পোরেশন এবং বালি তুলে দিতে পারব।'

তিনি আরও বলেন,  ‘দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত হবে। রাজনৈতিক হিংসা, মহিলাদের ওপর অত্যাচার নিয়ে পুলিশকে এফআইআর করতে বলা হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে হবে। সিএএ-র আওতায় পড়েন না এমন অনুপ্রবেশকারীকে কোর্টে পাঠাবেন না, বাংলাদেশে পাঠাবেন। পুরসভায় ১৭০০ জন কর্মরত ক্যাজুয়াল কর্মীর মধ্যে প্রায় ৫০০ জন বেতন নেন, পরিষেবা দেন না। প্রায় ৫০০ জন রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট, তাঁদের কাজ করতে হবে।'