কলকাতা : ক্যামাক স্ট্রিটে ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে বাসিন্দাদের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, 'আপনাদের ভাই পাশে থাকবে। ফোন নম্বর দিয়ে যাব।' 

Continues below advertisement

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সোমবার সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে বলেছেন, 'আবাসনে থাকা বাসিন্দারা আমার বলেছিলেন বেরিয়ে ভোট তো দিয়ে দেব। বুথ অনুযায়ী গণনা হবে। তারপর তো আমাদের উপর অত্যাচার হবে। কী হবে আমাদের? আমি বলেছিলাম তৃণমূল কংগ্রেসকে এবার পশ্চিমবঙ্গের মানুষ উপড়ে ফেলবে। কী ভাইয়ের কথা মিলে গিয়েছে তো? ৪ তারিখ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও সমস্যা নেই তো? আমি মুখ্যমন্ত্রী। পুরো প্রদেশের দায়িত্ব আমার কাঁধে। কিন্তু ভবানীপুরে বিগত ১৫ বছরে আপনারা বুঝতে পারেননি বিধায়ক কেমন হয়, তাঁর কাজ কী। এবার পারবেন। কারণ আপনাদের ভাই বিধায়ক হয়েছে। আপনাদের পাশে থাকবে এই বিধায়ক। একটা ওয়ার্ডে আমি অফিস করব না। ওয়ার্ড নম্বর ৭৭, করব না। পরে ভেবে দেখব। ওনারাও আমারই জনতা। কিন্তু বাকি ৭ ওয়ার্ডে ৭টা এমএলএ অফিস আগামী এক মাসের মধ্যে চালু করে দেব। কোনও অসুবিধা হলে... আমি আপনাদের কাছে একটা ডেডিকেটেড নম্বর, মেল আইডি দিয়ে দেব, কেউ অন্যায় ভাবে কিছু বললে, শুধু আমার কাছে খবর পৌঁছে দিন। যেসব জায়গায় বিজেপির সরকার রয়েছে সেখানে সিন্ডিকেটরাজ, তোলাবাজি, কাটমানি, গুন্ডা ভাতা, জুলুম এসব নেই। ভবানীপুরেও থাকবে না। আপনারা ভাল করে কাজ করুন।' 

শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় বাংলাদেশের জামাতিদের চিড়বিড়ানি অনেক বেশি হয়ে গেছে : মুখ্যমন্ত্রী 

Continues below advertisement

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দু'টি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর থেকে ভোটে লড়েছেন তিনি। দুই কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছেন তিনি। নন্দীগ্রামে পরাজিত করেছেন তৃণমূলের পবিত্র করকে। আর ভবানীপুরে হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীপুর কেন্দ্রে হারিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ৭৩ হাজার ৯১৭.

ভবানীপুরবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়ে এদিন ক্যামাক স্ট্রিটের ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান থেকে চারজনের সম্পত্তি নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্য়মন্ত্রী। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কসবার তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের ছেলে ফৈয়াজ আহমেদ খান, বেলেঘাটার তৃণমূল নেতা রাজু নস্কর এবং ব্য়বসায়ী সোনা পাপপু। এই সোনা পাপ্পু তোলাবাজি এবং জমি প্রতারণা মামলায় ইতিমধ্যেই ইডি- র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন।