কলকাতা: আজই বিকেলে এসএসকেএমে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠকের জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার ১২টি মেডিক্যাল কলেজ সরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ এবং মেডিক্যাল সুপারদের সঙ্গে বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী। তারপরেই একগুচ্ছ বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

Continues below advertisement

অতীতে স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ বিভিন্ন সময়ে সামনে এসেছে। এই অভিযোগের জায়গাগুলিতে কীভাবে উন্নতি করা যায়, কীভাবে ভুলত্রুটি সংশোধন করা যায় এবং এ বিষয়ে সরকারি আধিকারিকদের কী কী করণীয়, সেই নিয়ে কথা বলতেই আজকে এসএসকেএম হাসপাতালে বৈঠক করতে পৌঁছেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে, স্বাস্থ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে এই প্রথম বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

কেন্দ্র ও রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার মধ্যে সংযোগ স্থাপনে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই কারণে কেন্দ্রীয় সরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের আধিকারিকদেরও এই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল। মোটামুটি সব মিলিয়ে ৩০ জন মতো স্বাস্থ্য আধিকারিক আজকের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এসেছিলেন বিজেপির দুই জয়ী ডাক্তার বিধায়ক, শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং ইন্দ্রনীল খাঁ। সূত্রের খবর অনুযায়ী এসএসকেএমের অ্যাকাডেমিক বিল্ডিংয়ের নয় তলায় মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারে আয়োজিত হওয়া সেই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে এবার থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালেও অন্য রোগীর চিকিৎসা হবে।

Continues below advertisement

 

সূত্রের খবর অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ , 'সরকারের প্রাপ্য নির্দিষ্ট বেড বুঝে নিতে হবে। বেড ফাঁকা থাকলে কেন্দ্রীয় সরকারি হাসপাতালেও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ছাড়াও বাকিদের চিকিৎসা করতে হবে। বন্দর, রেল, ESI-কেন্দ্রীয় হাসপাতালে ফাঁকা পড়ে থাকে বহু বেড এবার ব্যবহার করবে সরকার। হাসপাতাল থেকে ফেরানো যাবে না কোনও রোগীকে।’

আরও পড়ুন:- অ্যাকশন মোডে পুলিশ, একইদিনে বিভিন্ন অভিযোগে তৃণমূল নেতাসহ ৬ জেলায় ১০ জন গ্রেফতার 

মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে রিফিউজাল বন্ধের কড়া নির্দেশ তো দিয়েইছেন, পাশাপাশি হাসপাতালে হাসপাতালে বেড বাড়ানো এবং দালাল চক্র বন্ধে CP-কেও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।   

এসএসকেএমে স্বাস্থ্য দফতরের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী অ্যাম্বুল্যান্স চক্রও নির্মূলের বার্তা দিয়েছেন। অ্যাপ নির্ভর অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি, এই অ্যাপের বাইরে কোনও অ্যাম্বুল্যান্স থাকবে না। পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দিয়েছেন অ্যাম্বুল্যান্সের রেট যাতে কিলোমিটার অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। এর পাশাপাশি সূত্রের খবর অনুযায়ী, সরকারি জমিতে বেসরকারি হাসপাতাল নির্মাণের চুক্তি খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।