কলকাতা: ফের রাজ্য জুড়ে ED-র তল্লাশি। কয়লা মাফিয়াদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের ৪০টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে ED। কলকাতা, দুর্গাপুর, আসানসোল,পুরুলিয়া সহ একাধিক জায়গায় ED। সল্টলেক, বাইপাস সংলগ্ন একটি আবাসন ও হাওড়ায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'বাংলাকে বাংলাদেশ হতে দেব না..', ২৬-এ বাংলা দখলের হুমকি BJP সাংসদ গিরিরাজের

Continues below advertisement

গত মাসে পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তারাতলায় ব্যবসায়ীর অফিসে ম্যারাথন তল্লাশি চালিয়েছিল ED।  ব্যবসায়ীর অফিস রেডিয়েন্ট এন্টারপ্রাইজে একাধিক চাঞ্চল্যকর নথি মিলেছিল বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রে।ED-র সন্দেহ, আর্থিক তছরুপের সঙ্গে যুক্ত ছিল এই কোম্বানি। কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত বলে অনুমান তদন্তকারীদের। বাজেয়াপ্ত হওয়া নথি থেকে নাম উঠে আসা ব্যক্তিদেরকেও তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে ED সূত্রে খবর।  পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে তারাতলায় ব্যবসায়ীর অফিসে চলেছিল ৩৬ ঘণ্টা তল্লাশি। 

ED সূত্রে দাবি, ম্য়ারাথন তল্লাশিতে উঠে এসেছিল একাধিক চাঞ্চল্যকর নথি। রেডিয়েন্ট এন্টারপ্রাইজ নামে অফিসের মালিক দুই ভাই গৌতম ঢনঢনিয়া ও বিবেক ঢনঢনিয়া। ED সূত্রে দাবি, বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল কয়েক হাজার পাতার নথি। তার থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক লেনদেনের হদিশ মিলেছিল। পাওয়া গিয়েছিল প্রভাবশালীদের যোগও। ED সূত্রে খবর,  হাজার হাজার পাতার নথি খতিয়ে দেখা হয়। অডিট করতে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছিল। 

গত ১০ অক্টোবর, পুর-নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর রেস্তোরাঁ, তাঁর সল্টলেকের অফিস, তাঁর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁ ও লাউঞ্জ-বার-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিলেন ED অফিসাররা। ফের অভিযানে নেমেছিল ED. কলকাতায় মোট ৬ জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। পাশাপাশি, তারাতলা ও লেকটাউনে ব্যবসায়ী বিবেক ঢনঢনিয়ার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল ED.

সম্প্রতি শহরে উদ্ধার হয়েছিল টাকার পাহাড়! ED সূত্রে খবর, তারাতলার অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ৩ কোটি টাকা। বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল নগদ ও প্রায় ১০ কোটি টাকার গয়না। ED সূত্রে খবর, ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া সোনার গয়না নিয়ে কিছু নথি দিয়েছে ব্যবসায়ীর পরিবার। এদিকে ম্য়ারাথন তল্লাশির পর, ইডি খতিয়ে দেখছে, প্রভাবশালীদের কালো টাকা কি সাদা করা হত?বাজেয়াপ্ত হওয়া নথি থেকে নাম উঠে আসা ব্যক্তিদেরকেও তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে ইডি সূত্রে খবর।