কলকাতা: এবার কি ভোটের ময়দানে দিলীপ-পত্নী? প্রার্থী হতে চেয়ে বায়োডেটা জমা রিঙ্কু মজুমদারের। বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রার্থী হতে চান দিলীপ-পত্নী। সূত্রের খবর, তিনি না কি বীজপুর বা রাজারহাট-নিউটাউন বা মেদিনীপুরে প্রার্থী হতে চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন। এবিপি আনন্দকে একান্ত সাক্ষাৎকারে রিঙ্কু মজুমদার জানিয়েছেন, ''প্রার্থী হতে চাই, উচ্চ নেতৃত্ব ভাববেন কী করবেন। ১৩ বছরে অন্তত পঞ্চায়েতে একটা টিকিট দেওয়া উচিত ছিল। এতগুলো বছর দমিয়ে রাখা হয়েছিল, এবার আমি মানব না। রাজ্য সভাপতির সঙ্গে দেখা করতে পারলাম না। মনে হচ্ছে, বিজেপি মহিলা মোর্চাতেও আমাকে রাখবে না।''

আর কয়েক মাস পরেই রাজ্যে বিধানসভা ভোট। সেই ভোটের ময়দানে কি এবার দেখা যাবে দিলীপ ঘোষের পত্নী? রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কোনও আভাস না দিলেও নিজের ক্ষোভ কিন্তু ভালই উগরে দিয়েছেন তিনি। রিঙ্কু মজুমদার আরও বলেন, ''আমি এমনও দেখেছি অনেক মহিলা প্রার্থীকে দেখেছি যে এমএলএ ও এমপি আসনে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। আমার কথা কেউই এতদিন ভাবেননি। যদি আমার বিয়ে নাও হত, আমি ছাব্বিশের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে দাঁড়ানোর চিন্তাভাবনা করেছিলাম।''

এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ''এটাতে আমার কিছুই বলার নেই। প্রতিদিন প্রচুর সংখ্যক প্রার্থী হওয়ার জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। উনি আমার স্ত্রী। কিন্তু উনি তো দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি করছেন। সেই জায়গা থেকে ওঁনার একটা ইচ্ছে হতেই পারে।"

এই প্রসঙ্গে অবশ্য খানিকটা খোঁচা দিয়ে কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, ''বিজেপি দলটা দীর্ঘদিন যিনি করছেন, তার তো প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে হতেই পারে। কিন্তু বিজেপি উচ্চ নেতৃত্ব কি তা করতে দেবে? ওখানে তো দলবদলুরা সবাইকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। এখন দেখার ওরা কি সিদ্ধান্ত নেয়। রিঙ্কু দেবী যদি ইচ্ছে প্রকাশ করে থাকেন, তাহলে বিজেপির দেখা উচিৎ তা।''

এদিকে, এরই মধ্যে বড় খবর, আগামী ২৮ ফ্রেব্রুয়ারি হয়ত বেরোচ্ছে না চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। এখনও বাকি নথি যাচাই, বাড়তে চলেছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময়সীমা? সূত্রের খবর, যাচাই প্রক্রিয়া শেষ না হলে কমিশনের কাছে সময় চাইতে পারে CEO দফতর। জানা গিয়েছে, সময়সীমা ৭দিন বাড়লে ভোটে সমস্যা হবে না, তবে ১৪দিন হলে সমস্যা হবে। যাচাইয়ের কাজ শেষ না হলে বাড়তে পারে সময়সীমা। স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করতে বদ্ধপরিকর কমিশন।কমিশনের কাছে সময় চাইতে পারে CEO দফতর, সূত্রের খবর। এখনও পর্যন্ত ৭০ লক্ষ নাম বাদের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে। অযোগ্য বলে চিহ্নিত ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯৭০ ভোটার। ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩২৩ জনের তথ্য যাচাই বাকি। ৩০ লক্ষের বেশি রি-ভেরিফাই ভোটারের স্ক্রটিনি বাকি বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২০ লক্ষ ভোটারের সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি ERO-রা।