ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, অরিত্রিক ভট্টাচার্য, অমিতাভ রথ, কলকাতা: দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। দুর্গাপুরে গিয়ে IQ সিটি মেডিক্যাল কলেজের নির্যাতিতা ডাক্তারি পড়ুয়ার কথা বলেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দিলেন তিনি। দুর্গাপুর রওনা হওয়ার আগে দমদম বিমানবন্দরে গণধর্ষণকাণ্ডে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি। ধর্ষণের ঘটনায় কোনও অজুহাত দেওয়া উচিত নয় বলে জানান তিনি। একইসঙ্গে এরাজ্যে নারীদের সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন বলে জানান তিনি। এই ইস্য়ুতে রাজ্যপালকে পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, রাজ্যে SIR-এর ইস্যুতে শুভেন্দুর বক্তব্যের ভুয়ো ছবি পোস্ট, ABP Ananda-র নামে ভুয়ো কার্ড বানিয়ে মিথ্যা প্রচার সমাজ মাধ্যমে

Continues below advertisement

রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার মূল দায়িত্ব পুলিশের। এই জায়গায় স্পষ্ট একটি ঘাটতি রয়েছে। দুর্গাপুরে IQ সিটি মেডিক্যাল কলেজের ডাক্তারি পড়ুয়াকে গণধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড়! এই প্রেক্ষাপটে সোমবার দুর্গাপুরে গিয়ে নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন তিনি। বিমানবন্দর থেকে সোজা যান হাওড়া স্টেশনে!

সূত্রের খবর, ট্রেন দেরিতে থাকায় সড়ক পথেই দুর্গাপুরের উদ্দেশে রওনা দেন পাজ্য়পাল।  যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়েই গণধর্ষণকাণ্ডে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন তিনি।রাজ্যপাল  সি ভি আনন্দ বোস বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় কোনও অজুহাত দেওয়া উচিত নয়। রাজ্যের সুরক্ষা দেওয়া উচিত। প্রত্য়েক নাগরিক, বিশেষ করে নারীদের পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। এর জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া বা বাস্তবতা থেকে পালিয়ে যাওয়ার কোনও জায়গা নেই। 

তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য সাধারণ সম্পাদক  কুণাল ঘোষ বলেন, রাজ্যপালের বিরুদ্ধেও মহিলা গঠিত অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোও তদন্ত করে দেখা উচিত। বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুর্গাপুরে IQ সিটি মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন রাজ্য়পাল।নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। সংবাদ সংস্থা ANI-এর সাক্ষাৎকারে  রাজ্যপাল বলেছেন, আমি নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেছি।  সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভবিষ্য়তে এই ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সেটাও দেখা হবে। ' রাজ্য়ে হোক কিংবা ভিন রাজ্য়ে...নারী নিরাপত্তা নিয়ে রাজনীতিবিদদের মুখে নানা প্রতিশ্রুতি শোনা যায়, ক্য়াচ লাইন, স্লোগান শোনা যায়। কিন্তু পূর্ণাঙ্গ নারী নিরাপত্তা কি আসলে সোনার পাথরবাটি? মহিলা ভোট পেতেই কি যাবতীয় প্রতিশ্রুতি দেন রাজনীতিবিদরা?