কলকাতা : এমনিতেই এই মুহূর্তে তিনি 'বাবরি' ইস্যুতে আলোর কেন্দ্র বিন্দুতে। তার উপর ব্রিগেডে সভা করার ঘোষণা করে শাসকদলের চরম কটাক্ষের শিকার হয়েছেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা হুমায়ুন কবীর। যদিও স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের স্থান তৃতীয়তে নামবে। এদিকে ছাব্বিশের ভোটের হাওয়া যখন ক্রমশ উষ্ণ হচ্ছে, ঠিক তেমনই একসময়ে IPAC কর্ণধারের বাড়ি-অফিসে ED-র হানা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা হানা দিয়ে, বহু তথ্য, ব্লু প্রিন্ট নিয়ে গিয়েছে বলে দাবি জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। রীতিমতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিনের এই ঘটনায় এবার কি নিজের ঝাঁল মেটালেন হুমায়ুন কবীর ?
হুমায়ুন কবীর বলেন, 'অবাক লাগছে, যখন কেন্দ্রীয় এজেন্সি, ওনাদের কাছে নিশ্চয়ই কোনও অভিযোগ আছে, বা কোনও কোনও এভিডেন্স তাঁরা পেয়েছেন। যে এই প্রাইভেট সংস্থা, শাসকদলের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করে, বাংলার মানুষের কোনও স্বার্থবিরোধী কাজ করছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যখন গিয়েছে, তাহলে তাঁদের সম্পূর্ণভাবে এই যে আইপ্যাক সংস্থা, তাঁদের সহযোগিতা করা উচিত। তাঁরা কী করতে গেছেন, কী জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন , বা কী ওনাদের কাছে তলব করছেন, সেটায় সহযোগিতা করা উচিত। '
কয়লা পাচার মামলায় ইডির তল্লাশি অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি। এদিন সাত সকালে লাউডন স্ট্রিটে আই প্য়াক কর্ণধারের বাড়ি ও সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে তাঁর অফিসে একযোগে অভিযান চালায় ইডির তদন্তকারীরা। আর তল্লাশি চলাকালীন দুই জায়গাতেই পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোথাও নিজেই নথি হাতে বেরিয়ে এলেন। কোথাও তার নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ নথি নিয়ে এসে গাড়িতে তুললেন। বিজেপি ও ইডিকে আক্রমণ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তর দিল বিরোধীরাও।
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়া, CP-র যাওয়াটাকে মনে করি অনৈতিক, অসাংবিধানিক, কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি বাধাদান।'কয়লা পাচারের কোটি কোটি টাকা কোথায় গেল? তার উত্তর পেতে এদিন সকালে দেশের ১০টি জায়গায় একযোগে তল্লাশিতে নামে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এর মধ্যেই ছিল তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা I PAC-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভে I PAC-এর অফিস!