কলকাতা: আগে জানা গিয়েছিল, ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, তবে তা নিয়ে এখন সন্দেহ দেখা দিয়েছে! সূত্রের খবর, এখনও বাকি নথি যাচাই। সেই কারণে বাড়তে চলেছে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময়সীমা। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ না হলে কমিশনের কাছে সময় চাইতে পারে CEO দফতর। আরও জানা যাচ্ছে, 'সময়সীমা ৭দিন বাড়লে ভোটে সমস্যা হবে না, তবে ১৪দিন হলে সমস্যা হবে। যাচাইয়ের কাজ শেষ না হলে বাড়তে পারে সময়সীমা। স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরি করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। কমিশনের কাছে সময় চাইতে পারে CEO দফতর।' এখনও পর্যন্ত ৭০ লক্ষ নাম বাদের সম্ভাবনা রয়েছে? অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৯৭০ ভোটারকে। এখনও ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩২৩ জনের তথ্য যাচাই বাকি। ৩০ লক্ষের বেশি রি-ভেরিফাই ভোটারের স্ক্রুটিনি বাকি। এখনও পর্যন্ত ২০ লক্ষ ভোটারের সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি ERO-রা। SIR-শুনানিতে আসেননি ৫ লক্ষ ভোটার।

Continues below advertisement

অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন সূত্রে দাবি, ২৭ লক্ষ ভোটারের নথি ফের যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষকরা। অন্য়দিকে, এখনও ৫০ লক্ষ ভোটারের ভাগ্য ERO-দের হাতে। তাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় থাকবে, না থাকবে না? তা নিয়ে এখনও সংশয় রয়েছে। কমিশন সূত্রে দাবি, ERO, AERO-দের ভুলের জন্য ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২জন ভোটারের নথি আপলোড করা হয়নি। কমিশন নিশ্চিত, এদের মধ্যে ৬০ শতাংশ অবৈধ ভোটার। কিন্তু বাকি ৪০ শতাংশ ?

অন্য়দিকে, বৈধ ভোটার হওয়া সত্ত্বেও যদি কোনও ভোটারের নথি আপলোড না হয়ে থাকে, তবে তাঁর বাড়িতে BLO পাঠিয়ে ৬ ফর্ম পূরণ করাবে কমিশন। ১৪ ফেব্রুয়ারি SIR শুনানি শেষ হয়ে গেছে। নথি আপলোডও বন্ধ হয়ে গেছে ওইদিনই। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম থাকবে কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেকেই। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের করা মামলার প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বুঝিয়ে, প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ বলে দেন, কমিশন প্রয়োজন মনে করলে ERO বা AERO-দের বদল করতে পারবে। এই প্রেক্ষাপটে, কমিশন সূত্রে দাবি, গাফিলতির অভিযোগে এবার ERO, AERO-দের একাংশকে শো-কজ করতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের CEO মনোজকুমার আগরওয়াল।

Continues below advertisement

কবে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে, সেই সম্পর্কে এখনও চূড়ান্ত খবর জানা যায়নি।