সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : আগ্নেয়াস্ত্র- সহ গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। পুলিশের জালে বনগাঁ উত্তরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক। আগ্নেয়াস্ত্র- সহ অভিযুক্ত নেতাকে পাকড়াও গোপালনগর থানার পুলিশের। ৪ মে রাজ্যে পালাবদলের পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার সরকার গঠন করেছে বিজেপি। রাজ্যের নবম সরকার এবং বিজেপির প্রথম সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শপথ গ্রহণের দিন থেকেই তোলাবাজি, দুর্নীতি-সহ যাবতীয় বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছেন তিনি। শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, রাজ্যের অন্যান্য মন্ত্রী বলা ভাল নতুন সরকারের তরফেই এই নীতি নেওয়া হয়েছে। আর তার ফলে একে একে গ্রেফতার হয়েছেন অনেক তৃণমূল নেতা, প্রাক্তন বিধায়ক এবং প্রাক্তন মন্ত্রী, প্রাক্তন কাউন্সিলর-সহ অনেকেই। 

Continues below advertisement

৩০০ কেজি গুটখা নিয়ে পালাচ্ছিল পাচারকারীরা, লাফিয়ে গাড়ির ছাদে চড়ে সন্দেহভাজনদের ধরল পুলিশ 

জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের পর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বিশ্বজিৎ দাস। এরপর ২০২১ সালে তৃণমূল বিপুল ভোটে জিতে ক্ষমতায় ফিরতেই, বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফেরেন বিশ্বজিৎ। তারপর ২০২৬ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর কালীঘাট-তৃণমূল থেকে যোগ দেন ঋতব্রত-তৃণমূল শিবিরে। গত ১৭ জুলাই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ঘরে যান বিশ্বজিৎ দাস। সেই দিনই বিরোধী দলনেতার ঘরে গিয়ে 'আমার নেতা' বলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্বোধন করেন বিশ্বজিৎ দাস।       

Continues below advertisement

                                

রিলস-ভিডিওতে টাকাপয়সা-গয়না নিয়ে দেখনদারি, ইউটিউবারের বাড়ি থেকে চুরি গেল প্রায় ১ কোটি টাকার জিনিস 

এই প্রথম নয়। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সমেত গ্রেফতার হয়েছেন অনেক তৃণমূল নেতাই। কেউ পুলিশ দেখে পালাতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। কারও বাড়ির পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র। রাজ্যে পালাবদলের পর গুন্ডা দমন আইন চালু করেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এই আইনের আওতায় একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছেন। কারও বিরুদ্ধে তোলাবাজি, কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতি তো কারও বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অনেক তৃণমূল নেতার নামে থাকা পুরনো মামলা নতুন করে শুরু হয়েছে এবং তদন্ত এগনোর ফলে তাঁদের গ্রেফতারও করা হয়েছে। সরকার স্পষ্ট ভাবে বার্তা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে রাজ্যে কোনওরকম বেআইনি কাজ করলেই তার মাশুল গুনতে হবে।