ভাস্কর ঘোষ, হাওড়া: হাওড়ায় ভোররাতে বিধ্বংসী আগুন ! আগুনে পুড়ে ছাই বালির নিবেদিতা সেতুর নীচে চারটি দোকান। ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই।
আরও পড়ুন, SIR-এর বিরোধিতায় আজ পথে নামছে BLO অধিকার রক্ষা কমিটি
বালি নিমতলায় নিবেদিতা সেতুর নিচে চারটি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। দমকলের চারটি ইঞ্জিন দুই ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে করে। পাশেই ছিল একটি বস্তি, এলাকার মানুষ আতঙ্কের বেরিয়ে পড়ে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিল। দোকানের ভেতর গ্যাস সিলিন্ডার ব্লাস্ট করে আরো আগুন ছড়িয়ে পড়ে। হতাহত এর খবর নেই। ব্রিজের উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ লক্ষাধিক টাকা।
অতীতে বিধ্বংসী আগুনের সাক্ষী আরও একাধিক বার হয়েছে এই রাজ্য। ৩৫ ঘণ্টা পরেও দাউদাউ করে জ্বলেছিল সেবার খিদিরপুর বাজার!যা নিয়ে কম বিতর্ক ছড়ায়নি। ওই স্থানে খিদিরপুর বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তার কথা বলেন। পাশাপাশি বিনা পয়সায় নতুন মার্কেট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মমতা। যদিও ক্ষতিপূরণ ঘোষণার পরেও, মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতিতে সন্তুষ্ট হননি ব্যবসায়ীরা।
আর এরপরেই উঠে এসেছিল একের পর এক বিস্ফোরক প্রশ্ন ব্যবসায়ীদের তরফে। তার সারমর্ম এই যে, আগুন লাগার আগেই 'জায়গাটা ঠিক কী করে হয়ে গেল ?'আর ঠিক পরেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মার্কেটের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেছিলেন খোদ রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রথমেই তাঁর মুখে শোনা গিয়েছিল, 'ফায়ার ব্রিগেড দাঁড়িয়ে আছে। বলছে জল নেই।' এরপর বিস্ফোরক অভিযোগ বলেছিলেন, 'খিদিরপুরে ম্যান মেড অগ্নিকাণ্ড।পরিকল্পনামাফিক আগুন লাগানো হয়েছে '!
বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সম্প্রতি এজরা স্ট্রিটে আগুন লেগেছিল। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বৈদ্যুতিন সামগ্রীর বাজার। দমকলের ২০টি ইঞ্জিনের লড়াইয়ে ভোরে লাগা আগুন নিভেছিল বেলায়।বারবার অগ্নিকাণ্ডের জেরে প্রশ্নের মুখে নজরদারি। এজরা স্ট্রিটে আগুন আগুন ছড়াল বহুতলে ধোঁয়ার ঢেকে গিয়েছিল এলাকা ভস্মীভূত বাজারের একাংশ। কাকভোরে ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল এজরা স্ট্রিট! সময় গড়াতেই আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করেছিল দোকান থেকে বহুতল।
ঘিঞ্জি এলাকা হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল আগুন! আগুন নেভাতে বেগ পেতে হয়েছিল দমকলকে!যেখানে আগুন লেগেছে এই বিল্ডিংয়ের চারদিকে ছড়িয়ে রয়েছে তার। ওঠানামার জায়গা নেই। পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপণ ব্য়বস্থা নিয়েও ওঠে প্রশ্ন। প্রায় ১৩ মাসের ব্য়বধানে ফের অগ্নিকাণ্ড এজরা স্ট্রিটে। ফের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে উঠেছে নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন।