রাজীব চৌধুরী, মুর্শিদাবাদ: রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে  গ্রেফতার হুমায়ুন কবীরের পার্টির রাজ্য সম্পাদক। AJUP নেতা আশিক ইকবাল নাকি প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র জাল টাকা পয়সা নিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর,  গভীর রাতে নাকা চেকিং চলছিল। সেই সময় গাড়ি আটক করে মেলে রাশি রাশি জাল নোট , আগ্নেয়াস্ত্র। ভোটের আগে এসব বেআইনি জিনিসপত্র নিয়ে কোথায় যাচ্ছিলেন, তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।  

Continues below advertisement

পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৪টি গুলির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। এছাড়া আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতার গাড়ি থেকে জাল নোটেরও হদিশ পাওয়া গিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ১০৮ টি ৫০০ টাকার জাল নোট।  

এই ঘটনায় আমজনতা উন্নয়ন পার্টির রাজ্য সম্পাদক আশিক ইকবাল-সহ আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার তাঁদের আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্তদের সাত দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। রেজিনগর উপনির্বাচনের ঠিক আগেই  AJUP পার্টির রাজ্য সম্পাদকের গ্রেফতারি তাদের পার্টির ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।    

Continues below advertisement

মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভায় ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হবে। হুমায়ুন কবীরের ছেড়ে দেওয়া আসনে লড়বেন তাঁরই ছেলে গোলাম নবি আজাদ। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে হুমায়ুন-পুত্র গোলাম নবী আজাদ রবিন বলেন, তিনি শুনেছেন দলের রাজ্য সম্পাদক গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু কী কারণে গ্রেফতারি তিনি জানেন না।  

আরও পড়ুন : নন্দীগ্রামের পর রেজিনগর, মমতা সর্বভারতীয় TMC প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা 

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে গ্রেফতার হন কংগ্রেস প্রার্থী 

অন্যদিকে শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীকে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে চণ্ডীপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে ছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শুভাশিস ভট্টাচার্য সহ বেশ কয়েকজন। চণ্ডীপুর থানার পুলিশ সেখানে গিয়ে প্রার্থীকে গ্রেফতার করে। পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয় শুভাশিস ভট্টাচার্যকে।  

তাঁর বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ ? 

পুলিশ সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলন পর্বে ১টি খুনের, ১টি খুনের চেষ্টা ও ২টি অস্ত্র আইনে মামলায় অভিযুক্ত মিলন প্রধান। তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়।