তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর থেকে হুমায়ুন যেন আরও আক্রমণাত্মক। আরও মরিয়া। আরও সাহসী। হুঙ্কার, চ্য়ালেঞ্জ ছুড়ে চলেছেন সমান তালে! এবার বললেন, 'হুকের নাম বাবাজি। হুমায়ুন কবীরের হুকে এখন সব সোজা হচ্ছে'। এদিকে মসজিদ নির্মাণের আগেই বাবরি মসজিদ নির্মাণের জায়গায় জুম্মার নমাজের দিন অর্থাৎ শুক্রবার কাতারে কাতারে মানুষের ভিড় দেখা যায় মসজিদ নির্মাণের স্থানে।  

Continues below advertisement

এই ছবি দেখেই ফের তৃণমূলকে চ্য়ালেঞ্জ ছুড়েছেন সাসপেন্ডেড বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তিনি কার্যত চ্যালেঞ্জের সুরেই বললেন, 'আমি নিজে ভাবিনি এতটা উন্মাদনা, এতটা মানুষের সমর্থন, এতটা মানুষের অর্থ সাহায্য়, যে যেমন পারছে সহযোগিতা করছে। এদের (তৃণমূলের)সব ঘুম ছুটে গেছে। ৯০টা সিট, হুমায়ুন কবীর আগামীদিনে নির্ণায়ক শক্তি হয়ে বিধানসভায় যাবে।' 

হুমায়ুন কবীরের দাবি, প্রস্তাবিত 'বাবরি মসজিদে'র ট্রাস্টের যে অ্যাকাউন্ট, তাতে ইতিমধ্য়ে জমা পড়েছে ৩ কোটি টাকা। এর মধ্য়ে নগদে অনুদান এসেছে প্রায় ১ কোটি। 'বাবরি' মসজিদের ট্রাস্টের নাম করে QR কোড জালিয়াতির অভিযোগও উঠেছে। যা নিয়েও তৃণমূলের একাংশকেই দায়ী করেছেন হুমায়ুন কবীর। যদিও পাল্টা কুণাল ঘোষের দাবি, হুমায়ুন কবীর ২৯৪ টাতে প্রার্থী দিলেও তৃণমূলই জিতবে। 

Continues below advertisement

এর মধ্য়েই পুরনো ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে, হুমায়ুন কবীরকে খোঁচা দিয়েছেন, তাঁর একদা সতীর্থ, পূর্বস্থলীর তৃণমূল বিধায়ক। তপন চট্টোপাধ্যায়ের তিনি হুমায়ুনকে দেখেছেন,  বিধানসভায় একদিন দুইদিকে দুই বিজেপি নেতার মাঝে বসে থাকতে। তিনি নাকি এমনটাও বলেন, 'কী ব্যাপার হুমায়ুন সাহেব? ওখানটায় কেন? আপনি কি ওই দলে যোগদান করবেন নাকি?'সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা ও বিধায়ক এই প্রসঙ্গে বলেন, 'আমি তো ওই দলে যোগদান করছি না। ওঁর বলাটা রক্ষা করছি। তার মানে, উনি আমাকে বলেননি, লাথি, ঝাঁটা মারবে, আপনি লাথি, ঝাঁটা খেয়ে থেকে যান, লাথি-ঝাঁটা খেতে পারবো না বলেই তো ওই দল থেকে নতুন দল খুলছি।' 

অন্যদিকে, নাম না করে হুমায়ুন কবীরকে তীব্র আক্রমণ করেছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিন্হা। বাবরের তাঁবেদারদের ভারতে থাকতে দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে আবার বিজেপি নেতা সজল ঘোষ আবার ছাব্বিশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিতলে হুমায়ুন কবীর উপ-মুখ্যমন্ত্রী হবে বলে ভবিষ্যতবাণী করেছেন।