Humayun Kabir: ভোটের মুখে হুমায়ুন কবীরের জামাইকে তলব পুলিশের। মাদক মামলায় ভরতপুরের বিধায়কের জামাইয়কে তলব পুলিশের। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় লালগোলা থানায় তলব করা হয়েছে হুমায়ুন কবীরের জামাইকে। ৮ ফেব্রুয়ারি দায়ের হওয়া নতুন মাদক মামলায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। লালগোলায় আগেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে হুমায়ুনের মেয়ে-জামাই-সহ শ্বশুড়বাড়ির একাধিক সম্পত্তি। আগে জলা জমি বুজিয়ে বাড়ি তৈরির অভিযোগে হুমায়ুনের স্ত্রীকেও নোটিস পাঠানো হয়েছিল। হুমায়ুনের স্ত্রীকে এই নোটিস পাঠিয়েছিল ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতর। এবার নতুন মাদক মামলায় হুমায়ুনের জামাইকে তলব করা হয়েছে। 

Continues below advertisement

কিছুদিন আগে জামাইকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। 'আমার জামাইকে লালগোলা থেকে প্রার্থী করতে চাইছে তৃণমূল', চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, 'মালদার এক ব্যক্তিকে দিয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জামাইকে প্রার্থী করতে আমার বেয়াইয়ের কাছে প্রস্তাব এসেছে। জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠনের পর থেকেই তৎপর পুলিশ। আমার মেয়ে, জামাইয়ের সম্পত্তির মাপজোক করে রেখেছিল পুলিশ'। একদিকে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে, আরেক দিকে প্রার্থী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

পুরনো একটি মাদক মামলায় হুমায়ুন কবীরের মেয়ে ও তার শ্বশুরবাড়ির একাধিক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। সেনিয়েও চাঞ্চল্যকর দাবি করেছিলেন ভরতপুরের বিধায়ক। হুমায়ুনের দাবি, 'তৃণমূলকে জিজ্ঞাসা করুন, যারা একদিকে তাদের সম্পত্তি ক্রোক করতে চাইছে আবার মালদার কোনও ব্যক্তিকে দিয়ে, সেও আমার বেয়াইদের আত্মীয়, তাকে দিয়ে কাল পাঠিয়েছে যে আমার জামাইকে লালগোলার তৃণমূলের বিধানসভার প্রার্থী করতে। এদের মতো শয়তান আর এদের মতো কুচক্রী মানুষ পাবেন বাংলায় খুঁজে?' 

Continues below advertisement

বিধানসভা ভোটের মুখে তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর, নতুন দল করে ভোটে লড়ার ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। 'জনতা উন্নয়ন পার্টি' গঠন করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক। রুতে সিপিএম, ISF-এর সঙ্গে জোটের তোড়জোড় করলেও, হুমায়ুনের জোট প্রস্তাব কার্যত বিশ বাঁও জলে। এর পাশাপাশি মাদক মামলায় তলব করা হয়েছে হুমায়ুন কবীরের জামাইকে। 

আগেই হুমায়ুন কবীরের মেয়ে-জামাইয়ের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, সেই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী'কে নোটিসও পাঠানো। বাড়ি সম্পর্কিত তথ্য জানতে হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে শোকজ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রেজিনগরের বাড়ি নিয়ে ভূমি সংস্কার দফতরের তরফে নোটিস পাঠানো। 'জলা জমি বুজিয়ে রেজিনগরে বাড়ি তৈরির অভিযোগ মাস পিটিশন। কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না?' ৭দিনের মধ্যে জবাব তলব করা হয়েছে। হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী মীরা সুলতানাকে ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের তরফে পাঠানো হয়েছে এই নোটিস।