সত্যজিৎ বৈদ্য, কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, কলকাতা : আবার তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। যাদবপুর বিশ্ববিদ্য়ালয়ে ইংরেজি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রীর রহস্য়মৃত্য়ুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ক্যাম্পাসে। বিশ্ববিদ্য়ালয়ের চার নম্বর গেটের পাশের ঝিল থেকে অচৈতন্য় অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে ছাত্রীর দেহ। মৃতার নাম, অনামিকা মণ্ডল। পড়ুয়াদের একাংশের দাবি, গতকাল রাতে বিশ্ববিদ্য়ালয়ের চার নম্বর গেটের পাশের ঝিল থেকে অচৈতন্য় অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাঁকে।
কীভাবে মৃত্যু?
বৃহস্পতিবার সন্ধেয় উদ্ধার হয় দেহ। তারপর রাত ১০টা নাগাদ কেপিসি হাসপাতালে নিয়ে গেলে ছাত্রীকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পড়ুয়াদের একাংশের দাবি, রাতে বন্ধুদের সঙ্গে ঝিলপাড়ে বসেছিলেন ওই ছাত্রী। তারপরে কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? উঠছে প্রশ্নশুক্রবার হবে ময়নাতদন্ত। তারপরই নিশ্চিত হওয়া যাবে মৃত্যুর কারণ ও সময় সম্পর্কে। রাতে হাসপাতালে এসে পৌঁছয় ছাত্রীর পরিবার।
সিসিটিভি ক্য়ামেরার আওয়তার বাইরে ঝিলপাড়
এই মৃত্যু ঘিরে ফের চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। থমথমে পরিবেশ। কার্যত স্তব্ধ ইংরেজি বিভাগের পড়ুয়ারা। বৃহস্পতিবার চার নম্বর গেটের কাছে পার্কিং লটে রাত পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। জানা গিয়েছে, মৃতা ছাত্রীও সেখানে ছিলেন।সেই অনুষ্ঠান ম়ঞ্চের কাছেই ঝিল থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রীর দেহ। পুলিশের অনুমান, ঝিল সংলগ্ন ইউনিয়ন রুমের পাশ থেকে জলে পড়ে যান তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি সিসিটিভি ক্য়ামেরার আওয়তার বাইরে। ফলে প্রশ্ন উঠছে কীভাবে ঘটল এমন ঘটনা? কেন কারও নজরে এল না ওই ছাত্রী? শুক্রবার ঘটনাস্থলে আসবেন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। অস্বাভাবিক মৃত্য়ুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
কী বলছে বিশ্ববিদ্যালয়?
ঘড়িতে তখন প্রায় দশটা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ওই সময় এক ছাত্রীর ঝিলে পড়ে যাওয়ার খবর আসে তাদের কাছে।ঘটনাস্থলে পৌঁছন নিরাপত্তারক্ষীরা সমেত প্রচুর পড়ুয়া। এরপর, ঝিল থেকে অচৈতন্য অবস্থায় অনামিকার দেহ উদ্ধার করা হয়।ঘটনাস্থলে একটি মদের বোতলও পড়ে থাকতে দেখা যায়। তড়িঘড়ি যাদবপুরের কাছেই কেপিসি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয় তাঁকে। শুক্রবার সকালেই ঘটনাস্থলে যায় কলকাতা পুলিশের ডিটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট-এ সায়েন্টিফিক উইং।