কলকাতা: কসবার কলেজে 'গণধর্ষণ', মমতাকে আক্রমণ ধর্মেন্দ্র প্রধানের। 'বাংলার মেয়ে বর্বরতার শিকার। বাংলায় নারী নির্যাতনে  আমরা বিচলিত। তৃণমূল নির্মম ও দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার। কখন দিদি গুন্ডা পাঠাবে কে কেউ জানে না', রাজ্য সরকারকে নিশানা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। 

আরও পড়ুন, কসবার ল'কলেজে NCW-র সদস্য অর্চনা মজুমদার, পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা, ক্রাইম স্পটের ছবি তোলা নিয়ে টানাপোড়েন

এদিন ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেখুন দুদিন আগে যে ঘটনা সামনে এসেছে, তা দেশকে প্রভাবিত করেছে। আমরা সকলেই বিচলিত রয়েছি। শিক্ষাক্ষেত্রের কী হাল করা হয়েছে, আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। বাংলার সরকার কখন ক্ষেপে যাবে, জানা নেই। কখন ওনার গুণ্ডাদের ঘরে পাঠাবে, জানা নেই। কবে ওদের উপর বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে , জানা নেই। দিদি ও বাংলার সরকারের গুন্ডারা এটা ভূলে যেনও না যায়, বাংলার জনতা এবার ওদের শিক্ষা দেবে। বিরোধীদলের তরফে বিধানসভায় এই ইস্যু তোলা হবে।'

 প্রসঙ্গত, কসবা গণধর্ষণকাণ্ডে প্রতিবাদ জানিয়ে শনিবার দুপুরে গ্রেফতার হয়েছিলেন  সুকান্ত-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিকে গ্রেফতারির পর বেল নিতে নারাজ ছিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তবে শেষ অবধি প্রায় ১৪ ঘণ্টা পর, রবিবার সকালে লালবাজারের সেন্ট্রাল লকআপ থেকে বেরিয়ে আসেন সুকান্ত মজুমদার-সহ অন্যান্যরা।এদিন সকালে সুকান্ত মজুমদার বলেন, গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। রাজ্য সরকার পুলিশের মধ্য দিয়ে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, গণতন্ত্রের বদ্ধভূমিতে পরিণত করেছে। আমরা এর বিরুদ্ধে গোটা রাত প্রতিবাদ জানিয়েছি। আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম, সই করে পার্সোনাল বেল বন্ডে আমরা জামিন নেবো না। আমার সঙ্গে প্রায় ৩২ জন কার্যকর্তা, জামিন প্রত্যাখান আন্দোলন শুরু করি।'

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এরপর বিজেপির কার্যকর্তারা, গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করতে গিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের যেখানে গ্রেফতার হবে, আমরা জামিন নেবো না বা জামিন প্রত্যাখান আন্দোলন করব। আমরা দেখতে চাই, পুলিশের বেশি ক্ষমতা, নাকি বিজেপি কার্যকর্তাদের ? কত জেল আছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের আমরা সেটা দেখতে চাই। গোটা রাত আমরা বসেছিলাম। প্রথমে আমাদেরকে বলা হয়, সই করে জামিন নিন। আমরা প্রত্যাখ্যান করি। পুলিশ তারপর বলে যে, আপনাদের সই করতে হবে না। আপনারা চলে যান। অর্থাৎ আমাদেরকে কেন নিয়ে আসা হয়েছে, কোনও তথ্য পুলিশ আমাদের জানায়নি। তাঁদের কাছে নেইও।'