আবির দত্ত : আনন্দপুর থানার অন্তর্গত নোনাডাঙা বস্তি এলাকার পাশে বিধ্বংসী আগুন। সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ আগুন লাগে। তবে, নির্দিষ্টভাবে সেই বস্তিতেই আগুন লেগেছে কি না দমকলের তরফে এখনও সরকারিভাবে জানানো হয়নি। আগুনের লেলিহান শিখায় বেশকিছু ঘর ঝলসে গেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ভর সন্ধেয় আগুনের ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়ে গেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দেয় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। কাছেই আবর্জনার স্তূপ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই মুহূর্তে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে ওই স্থান। এলাকা থেকে আগুন লাগার খবর দেওয়া হয় দমকলে।

Continues below advertisement

মাসখানেক আগেই আগুন লেগেছিল আনন্দপুরের গুলশন কলোনিতে । শহরের অন্যতম ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা আনন্দপুরের গুলশন কলোনি। সেবার বাড়ির নীচের তলায় রঙের গুদাম থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দোতলা থেকে কোনওমতে বাসিন্দাদের নামিয়ে আনা হয়। 

আনন্দপুরের এই এলাকা ঘন জনবসতিপূর্ণ । তাই আগুনের জেরে দেখা দেয় প্রবল আতঙ্ক। পাশের নির্মীয়মাণ বহুতলেও আগুন লাগে। ঝলসে কালো হয়ে যায় বাড়িটি। একের পর এক দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ভিতরে প্রচুর দাহ্য বস্তু থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে বেগ পেতে হয়। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় আকাশ। পাশেই দোকান, বসতি থাকায় আতঙ্ক ছড়ায়।  

Continues below advertisement

গত বছরও আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ড

গত ২০২৪ সালে আনন্দপুরে বিধ্বংসী আগুনে পুড়ে যায় ৫০-টিরও বেশি ঝুপড়ি। মাথার ওপর ছাদ হারায় বহু পরিবার। কেউ কেউ শেষ সম্বলটুকু খুইয়ে ফেলেন। একের পর এক গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা।  দমকা হাওয়া আর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে আগুন নেভাতে যখন হিমশিম খেয়েছিলেন দমকল কর্মীরা, তখন আনা হয় রোবট। দমকলের ১০টি ইঞ্জিনের ঘণ্টা দুয়েকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে খাক হয়ে যায় গৃহস্থালির জিনিস থেকে শুরু করে টাকাকড়ি, সোনাদানা। 

হালফিলে এজরা স্ট্রিটে ভয়াবহ আগুন                   

মাস দুয়েক আগে সাত সকালে এজরা স্ট্রিটে একটি বৈদ্যুতিন সামগ্রীর দোকানে আগুন লাগে। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় দমকলে। ঘটনাস্থলে দমকলের ২০ টি ইঞ্জিন পৌঁছয়। দোকানের ভেতর দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে ভয়াবহ আকার নেয় গোটা এলাকায়। আগুনের গ্রাসে চলে যায় পাশের বহুতল। কালো ধোঁয়ায় ঢাকে আকাশ।