কলকাতা: কাজের দিনে সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাট। ব্লু লাইন মেট্রোয় ফের যান্ত্রিক ত্রুটি। রবীন্দ্র সদন স্টেশনে আটকে গেল সকালের প্রথম মেট্রো। তার জেরে আপ লাইনে আংশিকভাবে চালু রাখা হয় মেট্রো পরিষেবা। ব্রিজি থেকে টালিগঞ্জ এবং ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত চলছিল মেট্রো।রবীন্দ্র সদন থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত আপ লাইনে মেট্রো চলাচল করছিল না। প্রায় এক ঘণ্টা এই পরিস্থিতি বজায় থাকে। এর ফলে নাজেহাল অবস্থা হয় যাত্রীদের। (Kolkata Metro)

Continues below advertisement

বৃহস্পতিবার সকালে ফের মেট্রোয় বিভ্রাট দেখা গেল। রবীন্দ্র সদন স্টেশনে সকালের প্রথম মেট্রোই আটকে গেল। গত ১৩ জানুয়ারিই একই ঘটনা ঘটে। সেবার রবীন্দ্র সদন এবং নেতাজি ভবনের মাঝে ট্রেন আটকে গিয়েছিল। আর আজ আপ লাইনে ট্রেন আটকে যায়। রবীন্দ্র সদন থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত আপ লাইনে মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। (Kolkata Metro Services)

মেট্রো সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহে আজই প্রথম মেট্রো বিভ্রাট ঘটল। সকাল ৭টা বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ এই ঘটনা। রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত বেশ কিছু কাজ চলছিল। সেই কারণেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে আংশিক ভাবে বন্ধ রাখা হয় ৭.৩৫ থেকে ৮.১৭ পর্যন্ত পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। ওই সময়ে ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং ব্রিজি থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত ট্রেন চলছিল। কিন্তু রবীন্দ্র সদন থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত বেশ কিছু ক্ষণ ট্রেন চলেনি। অর্থাৎ প্রায় এক ঘণ্টারও কাছাকাছি মেট্রো পরিষেবা বন্ধ ছিল। 

Continues below advertisement

ব্লু লাইনে এর আগে একাধিক বার এমন বিপত্তি ঘটে। চরম ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা। আজ ফের ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে যেতে হল সকলকে। এর আগে, গত ১৩ জানুয়ারি ব্লু লাইনে ফের মেট্রো বিভ্রাট ঘটে। বিদ্যুৎ সরবরাহজনিত সমস্যায়, নেতাজি ভবন ও রবীন্দ্র সদন স্টেশনের টানেলের মাঝে থমকে যায় মেট্রো। মাঝ টানেলে মেট্রো আটকে যাওয়ায়, থার্ড রেলে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে অন্ধকার সুড়ঙ্গ দিয়ে হাঁটিয়ে বের করতে হয় যাত্রীদের। প্রায় ঘণ্টাখানেক পর স্বাভাবিক হয় মেট্রো চলাচল।

৫ জানুয়ারি আবার যান্ত্রিক ত্রুটিতে দক্ষিণেশ্বর থেকে টালিগঞ্জ পর্যন্ত মেট্রো চলাচল ব্যহত হয়। সপ্তাহের শুরুর দিনের সকালে মেট্রো বিভ্রাটে চূড়ান্ত নাজেহাল হতে হয় নিত্যযাত্রীদের। প্রায় এক ঘণ্টা পর সচল হয় মেট্রো পরিষেবা।  ২৮ ডিসেম্বরও টালিগঞ্জ স্টেশনে ঢোকার আগেই থমকে যায় দক্ষিণেশ্বরগামী মেট্রোর চাকা। প্রায় ৪০ মিনিটের ওপর কামরায় বন্ধ থাকার পর, চালকের দরজা দিয়ে বের করা হয় আটকে থাকা যাত্রীদের। বিপজ্জনক থার্ড রেলের ঝুঁকি পেরিয়েই আসতে হয় টালিগঞ্জ স্টেশনে।