আবির দত্ত, কলকাতা : গ্রেফতার হওয়া বেহালার তৃণমূল কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লের বিরুদ্ধে আরও ৩টি নতুন মামলা রুজু পুলিশের। হুমকি দিয়ে টাকা আদায়, জোর করে টাকা নেওয়া, তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে হরিদেবপুর থানায় আরও ৩টি মামলা দায়ের হয়েছে এই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। 

Continues below advertisement

গত ২৩ মে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হন তৃণমূল নেতা সুদীপ পোল্লে। ঠাকুরপুকুর থানায় সুদীপ পোল্লের বিরুদ্ধে জোড়া অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ও ১৬ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুদীপ পোল্লে। ২০১০ থেকে টানা ১৬ বছর ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। এবার তাঁর নামে গ্রেফতার হওয়ার পর নতুন করে তিনটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কিছু লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তার ভিত্তিতেই নতুন করে হরিদেবপুর থানায় তিনটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে সুদীপ পোল্লের বিরুদ্ধে। এইসব অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সুদীপ পোল্লেই কলকাতায় গ্রেফতার হওয়া প্রথম তৃণমূল কাউন্সিলর। 

৪ বছরের পুরনো খুনের মামলা, কুলপিতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা রহিম মাস্টার 

Continues below advertisement

অন্যদিকে, ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর-ঘনিষ্ঠ তৃণমূল যুব-নেতা গ্রেফতার। ধৃত তপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তোলাবাজি থেকে জমি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে। এর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে গ্রেফতার হওয়া এই তপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। মালবিকা বৈদ্য, ১২৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর। তাঁর ঘনিষ্ঠ এই যুব তৃণমূল নেতা। 

TMC নেতা রাজু নস্করের আরও ২ বহুতলে পুরসভার নোটিস, প্রোমোটার ঘনিষ্ঠকে সামনে পেয়েই চলল চড়-থাপ্পড় 

ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা করেছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। আর তারপর থেকেই জেলা এবং শহরে চলছে ব্যাপক ধরপাকড়। তোলাবাজি থেকে কাটমানি নেওয়া, সিন্ডিকেট রাজ চালানো, জলুমবাজি করা - এইসব অভিযোগ থাকলেই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই অনেক তৃণমূল কাউন্সিলর, কাউন্সিলরের ঘনিষ্ঠদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

কাউন্সিলরের অফিস থেকে উদ্ধার ত্রিপল, বালতি, বিক্ষোভ স্থানীয়দের। উলুবেড়িয়া পুরসভায় কাউন্সিলরকে ঘিরে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। ১১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসিরঞ্জন অধিকারীকে বিক্ষোভ স্থানীয়দের। সরকারি প্রকল্পের কোনও জিনিস চাইতে আসলে কাউন্সিলর ফিরিয়ে দিতেন বলে অভিযোগ। কাউন্সিলরের বাড়ি সামনে গোডাউনের কাছে বিক্ষোভে বাসিন্দাদের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে ঘটনাস্থলে আসে বাউড়িয়া থানার পুলিশ।