আবির দত্ত, কলকাতা: খাস কলকাতায় (Kolkata News) সিটি সিভিল কোর্ট চত্বরে উদ্ধার বিচারকের দেহরক্ষীর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার। পাশে মিলেছে সার্ভিস গান। কীভাবে মৃত্যু হল? তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।                 

দেহরক্ষীর গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার: সাত সকালে আদালত চত্বরে রক্তারক্তি কাণ্ড। স্ট্র্যান্ড রোড লাগোয়া সিটি সিভিল কোর্টের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে উদ্ধার হল এক পুলিশ কর্মীর গুলিবিদ্ধ দেহ। পুলিশ সূত্রে খবর, গোপাল নাথ নামের ওই পুলিশকর্মী সিটি সিভিল কোর্টের বিচারক চন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়ের দেহরক্ষী ছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, নিজের সার্ভিস গান থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকাল সাতটা নাগাদ তাঁদের কাছে খবর আসে, সিটি সিভিল কোর্টের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সিঁড়ির পাশে একটা চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় রয়েছে এক পুলিশকর্মীর দেহ। তাঁর কপালে বুলেটের ক্ষত। পাশে পড়ে নাইন এম এম পিস্তল। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় হেয়ারস্ট্রিট থানার পুলিশ, গোয়েন্দা বিভাগ, সায়েন্টিফিক উইং এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞরা। ঘটনাস্থলে যান ডিসি সেন্ট্রাল। আত্মহত্যা নাকি খুন, সব সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে  সিসিটিভি ফুটেজ। কাজে লাগানো হচ্ছে ডগ স্কোয়াডকে। 

এদিনই কলকাতা বিমানবন্দরের ইন্টারন্যাশনাল কার্গোতে CISF জওয়ানের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। বিমানবন্দর সূত্রে খবর,  আজ সকালে কার্গো বিল্ডিংয়ের মধ্যে জওয়ানের ঝুলন্ত দেহ দেখেন সহকর্মীরা। ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে। আত্মহত্যা না অন্য কোনও কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এর আগে ২০২২ সালের ১০ জুন বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের গার্ড হিসেবে কর্মরত পুলিশকর্মী নিজের বন্দুক থেকে গুলি চালাতে শুরু করেন। আত্মঘাতী হন চোডুপ লেপচা। সঙ্গে সঙ্গে পালাতে শুরু করেন বাসিন্দারা। সেই সময় ওই রাস্তা দিয়ে আসছিলেন এক মহিলা। গুলি লাগে তাঁর। তারপরেই ওই পুলিশকর্মী নিজেকে গুলি করেন বলে দাবি করেন স্থানীয়রা।  এলোপাথাড়ি গুলি চালানোয় কাছেই একটি গাড়িতে গুলি লাগে। পাশেই একটি গ্যারেজে লাগে গুলি। তখনই একটি বাইকে মহিলার গায়ে গুলি লাগে, সঙ্গে থাকা বাইক চালকের গায়েও গুলি লেগেছে বলে দাবি করেছিলেন স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন: Sandip Ghosh: মর্গে বেনিয়মের অভিযোগ, সন্দীপদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের