কলকাতা: এবার প্রতীক জৈনের আবাসনের বাসিন্দাদের তলব পুলিশের। প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের প্রতিবেশীদেরও তলব করে পাঠানো হয়েছে। গত ৮ তারিখ আইপ্য়াক কর্ণধারের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ED।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, "অভিষেকের সভায় যত ভিড় হবে,তার থেকে আমার সভায় বেশি ভিড় হবে..", হুঙ্কার হুমায়ুনের

Continues below advertisement

ইতিমধ্যেই কেয়ারটেকার, নিরাপত্তারক্ষী সহ ৩ জনকে তলব করেছে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। প্রতীক জৈনের বাড়ির সিকিউরিটি রেজিস্টার বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।'অভিযানের দিন রেজিস্টার বুকে ED আধিকারিকেরা কি নাম লিখিয়েছিলেন?', খতিয়ে দেখতে রেজিস্টার বুক বাজেয়াপ্ত করে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। এর আগেই প্রতীক জৈনের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ ও DVR নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। কয়লা পাচারের টাকা কোথায় কোথায় গেছে? সেই মামলার তদন্তে সম্প্রতি দেশজুড়ে ১০ জায়গায় তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। লাউডন স্ট্রিটে, তৃণমূল ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সল্টলেক সেক্টর ফাইভে, I-Pac-এর অফিস! সূত্রের খবর, ওইদিন সকাল ৭টা নাগাদ প্রথমে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছে যায় ED-র টিম। সকাল ৭টা ১০ নাগাদ ED-র আরও একটি টিম লউডন স্ট্রিটে প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যায়। সকাল ১১টা ৫৫ প্রতীক জৈনের আবাসনে আসেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।এর ৫ মিনিটের মধ্যে বেলা ১২টায় আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের আবাসনে পৌঁছে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ১৮ মিনিট পর হাতে মাইক্রোফোন, একটি মোবাইল ফোন ও সবুজ রঙের একটি ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

এদিকে এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয় রাজ্য-রাজনীতি। মমতা বলেন, 'আমি আপনাদের বলি, আমরা যদি করতে পারতাম না, অনেক কিছু করতে পারতাম। বলছে কয়লার টাকা, কে খায় ? অমিত শাহ খায়, হোম মিনিস্টার ! কী করে খায় ? গদ্দারের মাধ্যমে টাকা যায়।..সাথে আছে এক জগন্নাথ। জগন্নাথ ধামের জগন্নাথ নয়। পুরীর জগন্নাথ নয়। বড় ডাকাত বিজেপির। জগন্নাথের মাধ্যমে টাকা যায়, শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। আর শুভেন্দু অধিকারীর কাছে টাকা যায়, অমিত শাহর কাছে। শুনুন আপনাদের ভাগ্য ভাল, আমি চেয়ারে আছি বলে ওই পেনড্রাইভগুলি বাইরে বের করে দেই না। বেশি রাগালে কিন্তু বলে দিচ্ছি, আমার কাছে সব পেনড্রাইভ করা আছে। আমি কিন্তু ভান্ডার ফাঁস করে দেব।  আমি একটা জায়গা পর্যন্ত সৌজন্যতা রেখে চলি। কিন্তু মনে রাখবেন, লক্ষণের একটা সীমারেখা আছে। লক্ষণের সীমারেখা পেরিয়ে গেলে কিন্তু, আর সামলে রাখতে পারবেন না। আমি অনেক কিছু জানি। বলি না শুধু দেশের স্বার্থে। আমি মুখ খুললে, সারা পৃথিবীতে হইচই হবে।' তিনি আরও বলেন, '.... আমি কালকে যা করেছি, তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান হিসেবে করেছি, এবং যা করেছি, আমি কোনও অন্যায় করিনি। তুমি আমায় খুন করতে এসেছো, আমার আত্মরক্ষা করার অধিকার আছে। চোরের মত কেন এসছো ? তুমি চুরি করে, সব মানুষের এসআইআর এর টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছিলে ! '