অনির্বাণ বিশ্বাস, ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, অর্ণব মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: মেয়রের ইস্তফার পরপরই কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক । বিধাননগরের পরে কলকাতা পুরসভাতেও প্রশাসক। কলকাতা পুরসভার প্রশাসক পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে।
গতকাল চেয়ারপার্সনের ডাকা বৈঠক এড়িয়েছিলেন। আজ পুর কমিশনারের ডাকা বৈঠকে হাজির হলেন উত্তর কলকাতার ২৪ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষও। অন্যদিকে রবিবার তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছিলেন কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়।
কিন্তু সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে ডাকা এই বৈঠকে বেশিরভাগ তৃণমূল কাউন্সিলরই আসতে চাননি।ফলে বৈঠক বাতিল করে দিতে হয়। অথচ এর ২৪ ঘণ্টারও কম ব্যবধানে সোমবার পুর কমিশনারের ডাকা বৈঠকে হাজির হলেন উত্তর কলকাতার প্রায় ৫০ শতাংশ তৃণমূল কাউন্সিলর। এলেন একজন তৃণমূল বিধায়কও। পুর কমিশনারের ডাকা বৈঠকে উত্তর কলকাতার ৫৫ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের মধ্যে উপস্থিত হলেন ২৪ জন।
কলকাতা পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড ১ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান ও তৃণমূল কাউন্সিলর তরুণ সাহা বলেন, পুরসভার কাজ এক সেকেন্ডের জন্যও বন্ধ করে রাখা যায় না। মেয়র সাহেবের কিছু সমস্যা হয়ে থাকতে পারে, মেয়র সাহেব পদত্যাগ করেছেন কিন্তু তাতে পুরসভার কাজ আটকে থাকবে না।কলকাতা পুরসভার ৪০ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কাউন্সিলর সুপর্ণা দত্ত বলেন, এখনও আমরা কাউন্সিলর, পুরপ্রতিনিধি রয়েছি, আমাদের দায় রয়েছে, আমরা যেহেতু ভোটে জিতে এসেছি। আমাদের ওয়ার্ডের প্রতি আমাদের দায় রয়েছে। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করতে এসেছি।'
পুরসভার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষও। এদিকে মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম পদত্য়াগ করার কলকাতার পুরসভার প্রশাসক পদে বসানো হল পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে। আজ কি প্রশাসক নিয়োগ হয়ে গেল? কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে বলেন, (মাথা নেড়ে সম্মতি) যেভাবে চলছে, সেভাবেই হবে। দ্রুত গতিতেই হবে। আমাদের তো রাজ্য সরকার সাপোর্ট করছেই। দফতর গাইডও করছে।
যে কাউন্সিলরদের আমন্ত্রণ করেছিলেন তাঁরা কি আর বৈধ থাকবেন? মানে এই মিটিং গুলোতে কাউন্সিলর আর যোগ দিতে পারবেন? প্রশ্নের উত্তরে কলকাতা পুরসভার পুর প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে বলেন, মানুষ হিসেবে জয়েন করতেই পারেন। কোনও অসুবিধা নেই।' পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর স্মিতা পাণ্ডেকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করেছে।
