হিন্দোল দে, কলকাতা : নিউ গড়িয়ার অভিজাত আবাসনে বৃদ্ধার হাত-পা বাঁধা দেহ উদ্ধার। হাত পা বাঁধা অবস্থায় ঘরের খাটের তলা থেকে গৃহকর্তা উদ্ধার। ঘটনাস্থলে পঞ্চসায়র থানার পুলিশ। থানা থেকে ৫০০ মিটার দূরে ঘটেছে খুনের ঘটনা, এলাকায় চাঞ্চল্য। 

আরও পড়ুন, যার সঙ্গে ক্লাস-হোস্টেল লাইফ, সেই বন্ধুকেই এই অবস্থায় পেল সহপাঠীরা ! কোচবিহারে সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যু

ঠিক কী দেখতে পান পরিচারিকা ?

সাতসকালেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নিউ গড়িয়া আবাসনে। এই অভিজাত আবাসনের ভিতরেই উদ্ধার হয়েছে বৃদ্ধার দেহ। মৃতার নাম বিজয়া দাস। এবং তাঁর স্বামী পিকে দাস, দুই জনেই থাকতেন। অর্থাৎ এই দোতালা যে বাড়ি, সেই বাড়িতে কিন্তু এই বৃদ্ধ দম্পতি, তাঁরা থাকতেন। প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, বৃদ্ধ দম্পত্তির ছেলে-মেয়ে, তাঁরা দুই জনেই বাইরে থাকেন। মেয়ে থাকেন জার্মানিতে এবং ছেলে থাকেন মুম্বইতে। এই আবাসনে বৃদ্ধ দম্পত্তি একাই থাকতেন। আজ সাতসকালে বাড়ির পরিচারিকা এসে ডাকাডাকি করেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে দেখা যায়, বাইরে থেকে দরজা বন্ধ রয়েছে। ভিতর থেকে নয়।  ঘরের ভিতর কোনও আলো নেই। তখন তার সন্দেহ হয়, তারপরেই তিনি দরজা খোলার পর দেখতে পান, মেঝের মধ্যে পড়ে রয়েছে বিজয়া দাস।

শহরে রহস্যমৃত্যু আরও একাধিক

এরপরেই ওই পরিচারিকা প্রতিবেশীদের খবর দেন। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরেই অবস্থিত রয়েছে পঞ্চসায়র থানা। সেই থানায় খবর যেতেই পঞ্চশায়র থানার পুলিশ, ঘটনাস্থলে আসে। এরপরেই বৃদ্ধার দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বেহালার বকুলতলায় বৃদ্ধার রহস্যমৃত্যু সামনে এসেছে। বাড়ির বারান্দা থেকে উদ্ধার হয় অগ্নিদগ্ধ দেহ। মৃতের নাম সর্বাণী পাল। পর্ণশ্রী থানা এলাকার বকুলতলায় দোতলা বাড়িতে থাকতেন স্বামী-স্ত্রী। ছেলে কর্মসূত্রে আমেরিকায় থাকেন। পরিবারের দাবি, নানারকম অসুখে ভুগছিলেন ৬৯ বছরের বৃদ্ধা। বাড়ির একতলায় ছিলেন স্বামী। তিনিই  সকালে দোতলায় স্ত্রীর অগ্নিদগ্ধ দেহ দেখতে পান। ডিপ্রেসনের কারণে গায়ে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা, নাকি অন্য কোনও কারণে মৃত্যু, খতিয়ে দেখা শুরু করে পুলিশ।

(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)