কলকাতা: মেট্রোপলিটনে হাড়হিম করা হামলা। প্রকাশ্য রাস্তায় তরুণীকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে পরপর কোপ, দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। ই এম বাইপাসে গাড়ি থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তরুণী নামতেই ধারাল অস্ত্র নিয়ে তাড়া। তাড়া করে পিছন থেকে তরুণীর হাতে পরপর ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপ, আঘাত গলাতেও। গলার নলি কেটে খুনের চেষ্টা বলে অভিগোগ। তিনজনকে আটক করল প্রগতি ময়দান থানার পুলিশ। এনআরএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণী। কী কারণে হামলা, তদন্তে পুলিশ। NRS হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণী।


একটা প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমরা এখানে বসে আড্ডা মারছিলাম। একটা গাড়ি এসে দাঁড়ায়। গাড়ির ভেতর থেকে ধাক্কা মারতে মারতে বের করা হয়।এক পায়ে জুতো, আরেক পা খালি, এই অবস্থায় সে এগিয়ে যায়। লোকের থেকে হেল্প নিয়ে জল দিয়ে মুখ ধোয়। তারপর দেখি, একটা ছেলে পেছন থেকে দৌড়ে, হাতের মধ্যে ছুরি দিয়ে আঘাত করে দুই বার। তার পিছনে  একজন মহিলা দৌড়য়। নিজের বোরখাটাকে খুলে ছেলেটাকে বাঁচাতে যায়, এবং মেয়েটাকে মারার জন্য এগোয়। তারপর আমরা দেখতে পাই, মেয়েটার গলাতে ছুরির আঘাত করা হয়েছে।'


প্রত্যক্ষদর্শীর সংযোজন,' যখন মেয়েটা গাড়ি থেকে বের হয়, তখন মেয়েটার মাথা অলরেডি ফাটা ছিল। ওকে কোনওমতে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দেখে মনে হয়েছে, ৯০ শতাংশ আশঙ্কা, যে ওর আর বাঁচবে না। তারপর আমরা দেখি যে, সবাই এখানে যতজন ছিলেন, সবাই দৌঁড়ে ছেলেটাকে মারতে যায়। মা পিছনেই দাঁড়িয়েছিলেন। মানে যেটা জানা গিয়েছে যে, ওই ছেলেটার মা ছিলেন, যে পিছন পিছন তখন দৌঁড়েছিলেন। যখন ছেলেটাকে মারার জন্য সবাই যায়, তখন ওই মহিলা বলে, আমার ছেলে কিছু করেনি। আমি কিছু করিনি। আমাদের কোনও দোষই না। মেয়েটারই সব দোষ। এতটাই বাজে ভাবে ছুরি দিয়ে আঘাত করেছে যে, জামা কেটে হাতের উপরের থেকে রক্ত বেরিয়েছে।' 


আরও পড়ুন, 'আধঘণ্টার উপরে পড়েছিলাম, আমার উপরে আরও ২০ জন, বাঁচাও শুনেও কেউ আসেনি' ! কুম্ভে কোনওমতে প্রাণে বেঁচেছেন বঙ্গ কন্যা


(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)