কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস নিয়ে বিতর্ক। অফিসের বিলবোর্ড খোলা নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। কলকাতা পুরসভা অভিযোগ করে এই বিলবোর্ড বেআইনি। আর তারপর বেআইনি ভাবে ওই বিল্ডিং দখলের অভিযোগ করেন বাড়ির মালিকও। আর তারপরই তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন তাপস রায়।
আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় চলল গুলি, পুলিশের অনুমান পারিবারিক বিবাদ, 'খরগোশের কীর্তি' -তে আহত ১
তাপস রায়ের কটাক্ষের পরই পাল্টা মুখ খুলেছে 'কালীঘাট তৃণমূল'। বেলেঘাটার বিধায়ক তথা 'কালীঘাট তৃণমূল' -এর মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, "তাপস রায়ের কাছে এটা শোভা পায় না। কারণ, তাপস রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ছিলেন। এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ছিলেন। এখন তাপসদা বিজেপিতে গিয়েছেন।"
এর সঙ্গে কুণাল ঘোষ নাম না করে কটাক্ষ করেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি বলেন, "তাপসদা এখন, বিজেপিতে গিয়েছেন যার উপর রাগে, তিনিও এখন আবার বিজেপি, বিজেপি, বিজেপি করছেন। এখন তাপসদাকে বিজেপিতে থাকতে গেলে একটু তো ওখানে দেখাতে হবে। বিজেপিকে দেখাতে হবে কোনও বিচিত্র পরচুলাকে তোমরা নিও না। আমিই দেখো কত বড় বিজেপি বিরোধী নেতা। ফলে, এটা হচ্ছে 'কাঁহি পে নিগাহে, কাঁহি পে নিশানা'।"
আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় চলল গুলি, পুলিশের অনুমান পারিবারিক বিবাদ, 'খরগোশের কীর্তি' -তে আহত ১
কী বলেছিলেন তাপস রায়? তাপস রায় বলেছিলেন, "তৃণমূলের সমস্যা হচ্ছে, ওদের সবই দখল। লোকের বাড়ি, ঘর, দোর সব কেড়ে নেওয়া। এটাই ওদের কাজ। তার উপর আবার অভিষেক? সে আবার আইনের কথা বলে। ওর কোম্পানির নাম হল লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস। সে আবার আইনের কথা বলে। বাড়ি তো তৃণমূলের নয়। রমা দেবী গোয়েঙ্কার বাড়ি। তাই তো? এবং কেস কাছারিও হয়েছে। ওদের বারবার বলা হয়েছে। একটা ফ্লোরের জায়গায় দুটো ফ্লোর দখল করে নিয়েছে। যেটা ওই সরকারে থাকলে করা যায়। পুলিশ তো তখন কিছু বলেও না, বলতে পারেও না।"
বিল্ডিং মালিকের দাবি, ২০২০ সালে ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের। চুক্তিতে সই করেন বর্তমানে জেলবন্দি তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী। বাড়ি মালিকের অভিযোগ, লিজে যে শর্ত ছিল, তা মানা হয়নি। আইনজীবীর দাবি, মালিকের তরফ থেকে কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বা CC-র জন্য বারবার বলা হয়। অভিযোগ, তারপরও প্রভাব খাটিয়ে জোর করে ২টি ফ্লোর দখল করা হয়েছে।
