কলকাতা: দুর্গাপুজো শেষ। এবার ভোট-পুজোর পালা। সূত্রের খবর, নভেম্বরের শেষ ও ডিসেম্বরের শুরু মধ্যেই কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোট হতে পারে।পুরভোটের প্রস্তুতির মধ্যেই মদন মিত্র দাবি করেছেন, একসঙ্গে সবাই লড়লে, বিজেপি কলকাতা পুরভোটে হারত। সেই সঙ্গে তার মুখে ফের ফিরল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। পুরভোটের প্রস্তুতির মধ্যেই মদন মিত্র এদিন বলেন, 'তৃণমূলের নেত্রী কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। ভেবেছিলাম, মমতা বলবেন, সবাই মিলে লড়ে দেখাই।'
বিজেপির হাত না ধরার প্রশ্নে একমত। কিন্তু, পুরভোটে একা লড়বে, নাকি কারও সঙ্গে জোট করে লড়বে? তা নিয়ে অরূপ রায় এবং ফিরহাকিমের ভিন্ন মত উঠে এল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্রর গলায়।বিজেপির সঙ্গে দূরত্বের প্রশ্নে একমত হলেও, আসন্ন পুরভোটে একা লড়বে, নাকি কারও সঙ্গে জোট করে লড়বে? তা নিয়ে ভিন্ন মত উঠে এল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে।নভেম্বরের শেষ সপ্তাহ বা ডিসেম্বরের শুরুতে কলকাতায় পুরভোট হতে পারে।তার আগে, সব দলই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। এই অবস্থায়, গত বুধবার ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য শোনা যায় শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কাল বিধানসভা ফ্লোরে হাউস টেস্ট করান, আমি ২৭৫টা ভোট পাব। ওদের মধ্যে ৬৪জনও তো আমার হাত তোলার জন্য বসে আছে।'
এদিন সাংবাদিকদের মদন মিত্র বলেন, এটা মনে রাখতে হবে, তৃণমূল কংগ্রেসের আল্টিমেট নেত্রী কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আমি আশা করেছিলাম, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো বলবেন, আসুন না , আমরা সবাই মিলে একবার লড়ে দেখি কলকাতায়। ফাইট হোক। দায়িত্বটা কার ? দায়িত্বটা তো আমাদের নয়। ..তো আমরা ষাটে আছি, কিন্তু ব্যানারে মুখে নেই। ইন্ডি জোটে কিন্তু আমাদের ডাকেনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকেছে। কিন্তু যদি একটা এরকম কল আসত যে, সবাই মিলে লড়ি। সব তৃণমূল কংগ্রেস, সব বিজেপি বিরোধী। সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পারতেন। কারণ তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ..একটা কথা কথি বলি, একসঙ্গে সবাই লড়লে, এবার নিশ্চিতভাবে বিজেপি কলকাতা কর্পোরেশনে পরাজিত হত। এটা আমার আলোচনা।..আমরা করতে পারি, সবাই আলাদা দাঁড়িয়ে, যত পারি ভোট ভাগ করে দিয়ে, বিজেপির সঙ্গে পুরো সেটিংটা ক্লিয়ার করে দিতে পারি।'
