রঞ্জিত হালদার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: রাজ্যজুড়ে চলছে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা মাধ্যমিক। তারই মাঝে কমবেশি খারাপ খবর আসছে। যদি সেটায় পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ নেই। কেউ পরীক্ষা চলাকালীন নিজের বাবাকে হারিয়েছে। কেউবা মাথার ছাদ। তবে এবার প্রকাশ্যে এল হাড়হিম করা খবর ! মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর দেহ কবর থেকে উদ্ধার করল পুলিশ !

প্রেম দিবসের দিনেই আত্মঘাতী হয়েছিলেন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

জানা গিয়েছে,দুটি পরীক্ষা দেওয়ার পর পাশের সিটের বান্ধবী পরীক্ষা দিচ্ছে না। অবাক হয়ে স্কুলে জানায় সহপাঠী পরীক্ষার্থী। স্কুলের শিক্ষকরা বিষয়টি থানায় জানায়। তারপরেই বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। প্রেম দিবসের দিনেই আত্মঘাতী হয়েছিলেন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। ছয়দিন পর কবরস্থ দেহ উদ্ধার করল কলকাতা পুলিশের উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ।পুলিশি নিয়মকানুন মেনে দেহ উদ্ধার করতে সময় লাগল ছয়দিন! ঠিক কী কারণে আত্মঘাতী হয়েছিল ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী?

'পুলিশকে না জানিয়ে রাতেই কবর দিয়ে দেয় ডেডবডি'

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর,  কারবালা হাইস্কুলের ওই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর বাড়ি উত্তর কাশিপুর থানার চণ্ডিহাট এলাকায়। তার এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়েছিল কচুয়া হাইস্কুলে। বাংলা ও ইংরেজি পরীক্ষা দিয়েছিল ওই নাবালিকা। পরের দিন থেকে অনুপস্থিত ছিল। শুক্রবার বৈকালে নিজের ঘরে ওড়না জড়ানো ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। পুলিশকে না জানিয়ে রাতেই কবর দিয়ে দেয় ডেডবডি। পরিবারের কারোর সঙ্গে কোনও ঝামেলা হয়নি বলে জানান মৃতের বাবা। তাহলে কী কারণে আত্মঘাতী ওই পরীক্ষার্থী তার তদন্ত শুরু করেছে উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ। 

আরও পড়ুন, জঙ্গি-যোগে রাজ্যে গ্রেফতার আরও ১, 'ধৃতের সঙ্গে আনসারুল্লা বাংলার প্রত্যক্ষ যোগ..' !

মর্মান্তিক ঘটনার মুখোমুখী মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

সম্প্রতি, আরও দুটি মর্মান্তিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। যার সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর জীবন রয়েছে। প্রথম ঘটনাটি আলিপুর দুয়ারের। যেখানে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে, শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে প্রস্তুতি নিতে হচ্ছিল। মূলত তাঁদের বাড়িটি অবৈধভাবে রেলের জমির মধ্য রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এরপরেই আবাস যোজনার টাকায় ছাদ বানিয়েও তা শেষ অবধি খুলে নিতে হয়েছিল। অপর ঘটনাটি হাওড়ার। সেটিও খুবই মর্মান্তিক। পরীক্ষার মাঝেই এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী হারায় তাঁর বাবাকে।  তবে স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না বলেই অভিযোগ উঠেছিল। মূলত  ওই শ্রমিকের মলদ্বারে ব্লোয়ার লাগিয়ে হাওয়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল ! এরপরেই ফুলে উঠেছিল পেট, পাকিয়ে গিয়েছিল নাড়ি-ভুঁড়ি, সহকর্মীর 'মজা'য় মৃত্যু হয়েছিল জুটমিল শ্রমিকের।