মালদা: শুভেন্দু অধিকারীর মুখে ফের পরিবর্তনের হুঙ্কার। শুভেন্দু বলেন, 'আর চার মাস আছে ভাই, চিন্তা করবেন না। এখান থেকে ৫০ কিমি দূরে, বিহার সাফ হয়ে গিয়েছে। এবারে বাংলা। সমূলে উৎপাটিত হবে। আমরা বলি না ? অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ, চব্বিশে জয় জগন্নাথ বলে ওড়িশাতে বিজেপি সরকার হয়েছে। ..বাকি থাকল ছাব্বিশে। অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ। ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নপূরণ হবে, জয়ের লক্ষ্য, পরিবর্তনের সংকল্প।'
হাইকোর্ট বলার পরেও অ্যাপলিকেশন রিজেক্টটেড। ফাইনালি সভাটা হল তো ? কটাক্ষ ছুঁড়ে এদিনের সভা শুরু বিরোধী দলনেতার। বলেন, '১০৪ বার রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের বিরোধী দলনেতাকে হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করতে হয়েছে। এটি আমার ১০৪তম হাইকোর্ট থেকে অনুমতি নেওয়া কার্যক্রম। চিরদিন কাহারও সমান নাহি যায়। এপ্রিল মাসের পরে তৃণমূল বিরোধী দলে যাবে। সেই দিন হিসেব হবে। বন্ধু আমরা ঈশ্বরে বিশ্বাস করি। যে যেমন কর্ম করবে। তাকে সেই মতো ফল পেতে হবে।'
তাঁর কথায়, আজ শুধু রাজনৈতিক নয়, ধর্মীয় কর্মসূচিতে বাধা দেয়। দুর্গা, কালী, জগদ্ঝধাত্রী, রাম কোনওতে অনুমতি দেবে না। সোরাবর্দির স্বপ্নে সরকার লালিত পালিত। ওয়াকফ নিয়ে মোথাবাড়িতে হামলা, হিন্দু দোকান ভাঙল। সেদিনও খগেন মুর্মু, সুকান্তকে ১২ কমি দূরে বেড়া দিয়ে আটকে দেওয়া হল। কেন্দ্রের মন্ত্রীকে ঢুকতে দিচ্ছে না। কোর্ট থেকে অনুমতি নিয়ে হিনদুদের পাশে দাঁড়ালাম। নিরীহ দোকান বাড়ি ভেঙে তছনছ করেছে। হিনদু অপরাধ। ওরা সংখ্যায় কম বলে। বরদাস্ত নয়। ৫টা হিন্দু দোকান ভেঙেছে। পাশে ৫টা মুসলিম দোকান রেখে দিয়েছে। এরপর ধূলিয়ান, সামশেরগঞ্জে ঢুকতে দেয়নি। বেতবোনা সহ ১০টা হিনদু গ্রাম কিছু নেই। ১৬ শতাংশ হিন্দু থাকে।
সংযোজন, এই রাজ্যের মধ্যে দু'জায়গায় হিন্দুদের সবচেয়ে বড় জোট হয়েছে। হিন্দু আদিবাসীদের। একটা উত্তর মালদায়, ৮৫% হিন্দু, পদ্মফুলে ভোট দিয়েছে। যদি গোটা রাজ্যে উত্তর মালদাকে দেখে সনাতনীরা একটু এগিয়ে আসে, ২০০ নয়, ২২০টা আসনে বিজেপি জিতবে। আরেকটা জায়গায় একজোট হয়েছিল হিন্দুরা। ২০২১-এ নন্দীগ্রামে। ৬৫% এক হয়েছিল প্রথমবার, আমি ২ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। '২৪-এ ৭২% হিন্দু এক হয়েছে। অভিজিৎ গাঙ্গুলি ৮ হাজার ২০০ লিড পেয়েছে। আর ৩ মাস পরের ভোটে ওখানেও উত্তর মালদার মতো ৮৫ ভাগ হিন্দু পদ্মফুলে ভোট দেবে এবং বিজেপি যাকে দাঁড় করাবে, তিনি ২০ হাজার ভোটে জিতবেন।