শুক্রবার বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে ক্যাথিড্রাল রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করে কালীঘাট তৃণমূল। এবার সেই কর্মসূচি ঘিরে, FIR দায়ের হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের আয়োজকদের বিরুদ্ধে। ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে, উস্কানিমূলক বক্তব্য, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি-সহ একাধিক অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করেছে হেস্টিংস থানার পুলিশ। 

Continues below advertisement

আমার পদত্যাগের দেড় মিনিট আগে ১৪ তলায় শুভেন্দু আমায় বলল, দাদা আর পারা যাচ্ছে না : শোভন 

এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, 'কালকে যে ভঙ্গিমায় উনি প্ররোচনা দিয়েছেন, উনি তো কোর্ট মানেন না, ডিএনএ- র মধ্যেই রয়েছে, ডক্টর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে এটা করেছেন, এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু আমি দেখি না, কারণ ওনার তো এটাই প্যাটার্ন। উনি নিজের প্যাটার্নের প্রতি দায়বদ্ধ থেকেছেন। অস্বীকার করার প্রবণতা আছে বলে মনে করছেন সবকিছুই ওনার আওতায়, সবকিছুই ওনার নিয়ন্ত্রণে। উনি আইন মানবেন না, কানুন মানবেন না, প্রশাসন মানবেন না, কোর্ট মানবেন না... উনি মগের মুলুক ১৫ বছর একটা চালিয়েছিলেন। সেটা থেকে এখনও বেরোতে পারেননি। এখনও দিবাস্বপ্নের মধ্যে রয়েছেন। একটা বিখ্যাত জার্মান সিনেমা আছে, হিটলারের শেষ ১০ দিন। ৬ এবং ১৯ তারিখ কালীঘাটে থেকে আমার মনে হয়েছিল সেই বিখ্যাত জার্মান ছবিটা দেখছি। অস্বীকার করার প্রবণতা কতটা চরম পর্যায়ে যেতে পারে... এখন মনে হচ্ছে সেই ডিনায়াল মোড আরও তীব্র হয়েছে।' 

Continues below advertisement

'তৃণমূলের সমস্যা হচ্ছে ওদের সবই দখল, তারপর আবার অভিষেক...', কী বলছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়? 

হাইকোর্টের নির্দেশে শুক্রবার ক্যাথিড্রাল রোডের একটি ফ্ল্যাঙ্কে সভার আয়োজন করে কালীঘাট তৃণমূল। কিন্তু রাস্তার অন্য দিকেও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। যার জেরে তাল কাটে অনুষ্ঠানে। যা নিয়ে সরব হতে দেখা যায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কালীঘাট তৃণমূলপন্থী TMCP-র আয়োজকদের বিরুদ্ধে স্বতপ্রণোদিত মামলা রুজু করে হেস্টিংস থানার পুলিশ। এই মামলায় সরকারি কাজে বল প্রয়োগ করে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারা দেওয়ার পাশাপাশি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য, অন্যের জীবন ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্ন করা, জনসাধারণের পথে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগে একাধিক ধারাও দেওয়া হয়েছে।