কলকাতা : ফের ED-র হাজিরা এড়ালেন সুজিত বসু ও রথীন ঘোষ। 'ভোট পরবর্তী অশান্তিতে আক্রান্ত দলীয় কর্মীরা', 'আক্রান্ত' দলীয় কর্মীদের পাশে থাকার কারণ দেখিয়ে হাজিরা এড়ালেন তিনি। এই কথা জানিয়ে ED-কে চিঠি দিলেন বিধাননগরের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসু। ED হাজিরা এড়ালেন রথীন ঘোষও। 'বাথরুমে পড়ে গিয়ে চোট, ১০দিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকের', এই কথা জানিয়ে হাজিরা এড়িয়ে ED-কে চিঠি দিলেন রথীন ঘোষ।
এর আগেও হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ভোটের কাজে ব্যস্ত বলে সেই হাজিরা এড়িয়ে যান তাঁরা এবং আরও সময়ও চেয়ে চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোট মেটার পর বুধবার ছিল সুজিত বসু এবং রথীন ঘোষের হাজিরা দেওয়ার দিন। সিজিও কমপ্লেক্সে এসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। আর এবারও দু’জনেই আলাদা আলাদা কারণ দেখিয়ে ইডি দফতরে যেতে পারছেন না বলে জানিয়ে দেন।
ইডির সূত্র মারফত জানা গেছে যে, প্রাক্তন মন্ত্রী রথীন ঘোষ একটি চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, উনি শৌচাগারে পড়ে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছেন। যার কারণে চিকিৎসক তাঁকে ১০ দিনের জন্য বিশ্রাম নিতে বলেছেন। তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। আর এক প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসু ইডিকে জানিয়েছেন, ভোট-পরবর্তী হিংসায় তাঁর দলের বহু কর্মী আক্রান্ত। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি খুব ব্যস্ত, তাই তিনি বুধবার হাজিরা দিতে পারবেন না। তাঁকে যেন আরও কিছু দিন সময় দেওয়া হয় সেই অনুরোধও করেন। আরও পড়ুন -পুরসভায় নিয়োগ-দুর্নীতি ! রাজ্যের এই দুই হেভিওয়েট মন্ত্রীকে তলব ED-র প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে তাঁকে তলব করা হয়। হাজিরাও দেন তিনি। প্রায় ৯ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে CGO কমপ্লেক্সে । মৌখিকভাবে তাঁকে জানানো হয়েছিল ফের ৬ তারিখ আসার জন্য়। সঙ্গে বেশ কিছু নথিও আনতে বলা হয়েছিল সুজিত বসুকে। SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তের সময় অয়ন শীলকে প্রথম গ্রেফতার করেছিল CBI। তল্লাশির সময় অয়ন শীলের অফিস থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু ওএমআর শিট। আর এখান থেকেই পুরসভার নিয়োগের দুর্নীতির হদিস পান তদন্তকারীরা। তদন্তে নেমে অনেককে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। পরে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তে নামে ইডিও। আর এখান থেকেই ফাঁস হয়ে যায় সবকিছু। CBI আধিকারিকরা জানান, অয়নের মাধ্যমে প্রায় ১৬টি পুরসভায় নিয়মবহির্ভূত ভাবে অনেকে চাকরি দেওয়া হয়েছে।
