মুর্শিদাবাদ: বেলডাঙাকাণ্ডের তদন্তে NIA-র ২টি দল। বহরমপুর সাইবার ক্রাইম দফতর, বেলডাঙা পাঁচরাহা মোড়, বেলডাঙা পুরসভা ও বেলডাঙা স্টেশনে এনআইএ। স্থানীয় বাসিন্দা, রেল কর্তৃপক্ষ, স্টেশন ম্যানেজার ও RPF-এর সঙ্গে কথা এনআইএ আধিকারিকদের। এরপর বেলডাঙা থানায় এসে বৈঠকে বসেন NIA-এর তদন্তকারীরা। ঝাড়খণ্ডে মৃত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এনআইএ আধিকারিকদের। 

Continues below advertisement

 

আরও পড়ুন, জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক, SIR আতঙ্কে মৃতদেরকে নিয়ে কমিশনে মমতা

Continues below advertisement

 উল্লেখ্য, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। ১৭ তারিখ রেল গেট ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।এরপর বেলডাঙা পৌরসভাতেও যান তদন্তকারীরা। বেলডাঙা পৌরসভার পর এনআইএ-র দলটি যান বেলডাঙা স্টেশনে। সেখানে স্টেশন ম্যানেজার ও আরপিএফ এর কর্তব্যরত জওয়ানদের সাথে প্রায় ২০ মিনিট ধরে একান্তে কথা বলেন তারা।  এদিন এনআইএ-র একটি দল বহরমপুরের সাইবার ক্রাইম থানাতেও যান। সেখানে প্রায় ঘন্টা দেড়েক ছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে বেড়িয়ে ফের রওনা দেন বেলডাঙার দিকে। বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় কাড়া জড়িত ছিল? পেছনে কারা ? খোঁজ চালাচ্ছে এনআইএ।

বিক্ষোভের নামে বেলাগাম তাণ্ডব! গুন্ডামি! নৈরাজ্যের আগুনে পরপর দু'দিন জ্বলেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তা ও রেল অবরোধ দিয়ে শুরুটা হলেও, পরে তা তাণ্ডবের রূপ নেয়। বাঁশ লাঠি হাতে রাস্তায় নেমে দাপাদাপি, গাড়ি ভাঙচুর, সাংবাদিকদের উপর হামলা। বাদ যায়নি কিছুই। বেলডাঙার সেই অশান্তির ঘটনায় শনিবারই তদন্তভার হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA. সোমবার ২ টি দলে ভাগ হয় একটি দল যায় বেলডাঙার পাঁচরাহা মোড়ে গেট পরিদর্শনে। ১৭ জানুয়ারি ভাঙচুর হয় এই রেলগেট। এদিন বেলডাঙার পাঁচরাহা মোড়ে  গেট পরিদর্শন করেন এনআইএ-র তদন্তকারী একটি দল । উল্লেখ্য, ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি অশান্ত হয়ে উঠেছিল বেলডাঙা। ১৭ তারিখ রেল গেট ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।এরপর বেলডাঙা পৌরসভাতেও যান তদন্তকারীরা।

বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বেলডাঙাতে পরপর দুদিন, আমি নিজের চোখে, আমি মালদা গিয়েছিলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সভাতে। যাওয়ার সময়েও দেখে গেছি, ফেরার সময়েও দেখেছি। ওটা আন্দোলন ছিল না, ওটা দাঙ্গা ছিল।  মালদা, মুর্শিদাবাদে যেভাবে হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে এরা রাখে সেক্ষেত্রে NIA-র উচিত একদম সব দেশদ্রোহীদের ধরে টপাটপ ভিতরে ঢুকিয়ে দাও। সরকারি আইনজীবী  নীলাব্জ দত্ত বলেন, যেটা মূল মামলা ছিল, সেটা NIA নিয়ে চলে গেছে। সেই মামলাটা এবার থেকে বিচারভবনে বিচার হবে।৩৬ জন, তাঁর মধ্যে ২ জন না ৩ জন নাবালক আছে।