কলকাতা: মালদার মাটি থেকে 'আসল' পরিবর্তনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর। 'পশ্চিমবঙ্গে আসল পরিবর্তনের জন্য মানুষের আস্থা দেখতে পাচ্ছি। বিকশিত ভারতের জন্য পূর্ব ভারতের উন্নয়ন জরুরি। হিংসায় মদতদাতাদের প্রত্যাখ্যান করেছে মানুষ। বিজেপির ওপরই মানুষের আস্থা। কয়েকদিন আগেই বিহারে সরকার গড়েছে NDA। এবার পশ্চিমবঙ্গে সুশাসনের পালা'।
তিনি এও বলেন, 'বন্দে ভারতের সঙ্গে আরও ৪টি অমৃতভারত এক্সপ্রেস পেল পশ্চিমবঙ্গ। দেশের প্রধান সেবক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নের চেষ্টা করছি। আমি চাই পশ্চিমবঙ্গের সবাই পাকা ঘর পাক, ফ্রিতে রেশন পাক। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এটা হচ্ছে, তৃণমূল সরকার নির্দয়-নির্মম। কেন্দ্র গরিবদের জন্য যে টাকা পাঠায়, তৃণমূল তা লুঠ করে। গরিবের শত্রু তৃণমূল কংগ্রেস, নিজেদের সিন্দুক ভরতে ব্যস্ত। আমি চেয়েছিলাম পশ্চিমবঙ্গের মানুষও ফ্রিতে চিকিৎসাক পাক। কিন্তু একমাত্র পশ্চিমবঙ্গই আয়ুষ্মান ভারতের সুফল পায় না'।
মোদি এও বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গে ত্রাণ নিয়েও দুর্নীতি। ভুক্তভোগীদের বদলে টাকা ঢুকেছে তৃণমূল সমর্থকদের পকেটে। পশ্চিমবঙ্গে এই দুর্নীতি বন্ধ করবই। পশ্চিমবঙ্গে বন্যা মোকাবিলায় পদক্ষেপ করবে কেন্দ্র। বিজেপি এলে পশ্চিমবঙ্গের গৌরব পুনরুদ্ধার হবে। মালদার আম-অর্থনীতিকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে বিজেপি। কোল্ড স্টোরেজের পরিকাঠামো বাড়ানো হবে। পাটচাষিদের উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকার প্রকল্প চালাচ্ছে কেন্দ্র। গত ১২ বছরে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য অনেক বেড়েছে। গত ১২ বছরে পাটচাষিদের উন্নয়নে ১৩০০ কোটি টাকা খরচ করেছে কেন্দ্র'।
এমনকী, বেলডাঙায় অশান্তি নিয়েও সরব হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, 'তৃণমূলের গুন্ডাদের হাতে নিগৃহীত মহিলা সাংবাদিক। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়েও মহিলারা সুরক্ষিত নন। পশ্চিমবঙ্গে কেউ নিরাপদ নন। তৃণমূলের গুন্ডামি আর বেশি দিন চলবে না'।
শুক্রবারের পর শনিবার। ফের তাণ্ডব। ফের রাস্তা অবরোধ। বাস ভাঙচুর...আক্রান্ত হলেন এবিপি আনন্দর সাংবাদিক এবং চিত্র সাংবাদিক। বেলাগাম নৈরাজ্যের সাক্ষী থাকল বেলডাঙা! শুক্রবার ঝাড়খণ্ডে পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্য মৃত্যুর প্রতিবাদের নামে তাণ্ডব চলেছিল বেলডাঙায়। আর শনিবার বেলডাঙার বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিককে বিহারে মারধরের অভিযোগ ঘিরে ফের শুরু হয় অশান্তি।