রঞ্জিত হালদার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভোটে হেরেও সন্ত্রাসের পথ ছাড়ছে না তৃণমূল কংগ্রেস। নরেন্দ্রপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর নৃশংস হামলা, ভর্তি এসএসকেএমে। গভীর রাতে গাড়ি করে এসে হামলা, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। আইসিইউ-তে ভর্তি বিজেপি কর্মী পাপ্পু সানা। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, ১৩ বছর পর পুরভোট হাওড়ায়, প্রশাসনিক বৈঠকে কী ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ? "সব কিছু ঠিক থাকলে.."

Continues below advertisement

ক্ষমতায় এসে রাজ্যে শান্তি রক্ষার মরিয়া চেষ্টা করছে বিজেপি। এদিকে কলকাতা থেকে জেলা, নিচুস্তরে ব্যাপক আক্রমণের শিকার হচ্ছেন তাদেরই দলের কর্মী সমর্থকেরা।দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরে খেয়াদা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ পুলিশের। শোধরাচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডাবাহিনী, এনিয়ে আক্রমণ সোনারপুর উত্তরের বিজেপি বিধায়কের। আইনি ব্যবস্থা নেব, হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেবাশিস ধর।

যারা হামলা চালিয়েছে, তাঁরা কারা ? ঠিক কী অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মী। ঘটনার পর সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিধায়ক দেবাশিস ধর তিনি অভিযোগ করছেন যে,  যেসমস্ত গুন্ডা বাহিনী হামলা চালিয়েছে, তারা সবাই তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী, অভিযোগ দেবাশিস ধরের। এই প্রেক্ষিতেই নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এবং এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে, এমনটাই নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে মধ্যরাতে।  বাড়ির কাছেই তিনি ছিলেন। সেখানেই কয়েকজন দুষ্কৃতি তারা আসে বলে জানা গিয়েছে। লাঠি ও রড নিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। হামলায় জখম হয়েছেন তিনি। মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে বলে খবর।  এই মুহূর্তে তাঁকে এসএসকেএম এর আইসিইউতে ভর্তি রাখা হয়েছে।  ঘটনার পর ইতিমধ্যেই নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। কয়েকজনকে আটক করা হচ্ছে। কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর স্ত্রী সায়ন্তিকা দাস বলেন, ওরা রাত্রিবেলায় এসে মেরেছিল। এখন অতটাও ভাল নেই। নড়তে চড়তে পারছে না। পিঠে চেনের দাগ আছে, চেন দিয়ে মেরেছে। বিজেপিই করে।  মারপিট হয়েছে এটুকুই জানি। ‘সোনারপুর উত্তর বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ধর বলেন , এইভাবে তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে। সেদিন বিধানসভাতেও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় অনেক কিছু বলছিলেন।   আমরা ক্ষমতায় থাকাকালীন এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু উল্টোদিকে আমরা প্রত্যেকটা মানুষকে প্রোটেকশন দিচ্ছি।