কলকাতা: দিল্লিতে INDIA ব্লকের মেগা সমাবেশ, পাল্টা এদিন কলকাতার পথে নামে বিজেপি। হায়দরাবাদে অমিত শাহ, কলকাতায় নিতিন নবীনের মেগা Rally হয়। 'গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও যাত্রা'য় বিজেপি সভাপতি। কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত নিতিন নবীনের নেতৃত্বে মিছিল হয়। নিতিন নবীনের নেতৃত্বে মিছিল, সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য।                                      

Continues below advertisement

এদিন নিতিন নবীন বলেন, 'বাংলা বিজেপিময়, ৪ মে অরাজকতা শেষ হয়েছে। বাংলায় হেরে দিল্লিতে গিয়ে কাঁদছেন মমতা। বিরোধীদের কাছে ব্যক্তিস্বার্থ আগে, দেশ পরে। বিজেপির কাছে দেশ সবার প্রথমে, বাকি সব পরে। ভরাডুবি হয়ে দিল্লিতে গিয়ে কান্নাকাটি বিরোধীদের। রাহুলের নেতৃত্বে দেশে অরাজকতার চেষ্টা বিরোধীদের। গণতন্ত্র বাঁচানোই বিজেপির আসল উদ্দেশ্য। মমতা-মুক্ত বাংলা, এবার দিল্লি থেকে রাহুল-মুক্ত করব"।                         

মমতা-ইন্ডি জোটকে আক্রমণ করে নিতিন নবীন বলেন, "পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কড়া জবাব দিয়েছে মমতাকে। বাংলার মানুষ মুক্তি পয়েছেন মমতার হাত থেকে। উত্তরপ্রদেশে SP গড়াগড়ি খাচ্ছে। রাহুল গান্ধী ভোটের আগে মমতার হয়ে বড় বড় কথা বলেছিল। এখন মমতা হেরে গিয়ে দিল্লিতে গিয়ে কাঁদছে। এখনও রাহুলকে পরামর্শ দিতে চাই। নিজেদের ব্যর্থতা থেকে শিখুন, না হলে দেশে আর কংগ্রেস থাকবে না। রাহুল শুধু নিজের পরিবারের কথা ভাবে। দুর্নীতি, তোষণ, পরিবারবাদ বাঁচাতে বিরোধীদের জোট। বিদেশি শক্তির ইশারায় চলেন রাহুল গান্ধী। ১৪০ কোটি জনতার কথা ভাবেন প্রধানমন্ত্রী। দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াবোই, পশ্চিমবঙ্গ থেকেও সরাব"।                     

Continues below advertisement

এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা শোনা গেল বিজেপির সভাপতির গলায়। তিনি বলেন, "অনুপ্রবেশকারী হঠাতে বিরোধীদের রামলীলা-যাত্রা। যখন কেউ মোদিজিকে অপমান করেন, মানুষ তখনই তাদের সরিয়ে দিয়েছে। বাংলায় রাম রাজ্য চলছে, কংগ্রেস, তৃণমূলকে দেখলেই দয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীকে বলব জান-প্রাণ দিয়ে লড়াই করুন। আপনি সরকার বানিয়েছেন বাংলার মানুষকে পরিষেবা দেবেন। রাজ্যের মানুষের জন্য কাজ করবেন শুভেন্দু অধিকারী। ২০২৯-এ ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি। ২০২৯- লালকেল্লায় তিরঙ্গা উড়াবেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তোলাবাজি সমাপ্ত, তোলাবাজি এখন তালাবন্ধ। তৃণমূলের গুন্ডাগিরি বন্ধ করে দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী"।