সমীরণ পাল, উত্তর ২৪ পরগনা : প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে সংসার পেতেছিল স্ত্রী, সেই আক্রোশে প্রেমিকের বাড়িতে এসে স্ত্রীকে কুপিয়ে 'খুন' করল স্বামী ! স্ত্রীকে 'খুন' করে নিজের পেটেই ছুরি দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টাও চালিয়েছেন স্বামী। বিস্ফোরক অভিযোগ উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়।
স্ত্রী প্রেমিকের সাথে পালিয়ে এসে নতুন করে সংসার বেধেছিল স্ত্রী। নতুন করে সংসার বাধা মানতে না পেরে স্ত্রীর প্রেমিকের বাড়িতে চড়াও হয়ে ছুরি দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করল স্বামী। স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করার পরে নিজের পেটেই ছুরি দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করল স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার গোপালনগর থানার পাল্লায়। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গোপালনগর থানার পুলিশ ।
পরিবার সূত্রে খবর, এক বছর আগে গোপালনগর এর বাসিন্দা সুকদেব বিশ্বাসের সংসারে সন্তান রেখে পল্লা হরিশপুর প্রেমিক রতন মণ্ডলের হাত ধরে নতুন করে সংসার পেতেছিল দীপু মিস্ত্রি। স্ত্রীর নতুন করে এই সংসার পাতার ঘটনা মানতে পারেনি স্বামী। যা নিয়ে মাঝেমধ্যেই অশান্তি হতো, সংসারে ফিরে যাওয়ার জন্য বেশ কয়েকবার স্ত্রীকে নিতে এসেছিল সুকদেব। কিন্তু তিনি যাননি স্ত্রী।
সোমবার সন্ধ্যায় সুকদেবের স্ত্রী দীপু যখন তার প্রেমিক রতনের বাড়িতে বসে টিভি দেখছিল সেই সময় পিছন দিক থেকে ছুরি দিয়ে এলোপাথারি আঘাত করে শুকদেব। তারপর নিজের পেটেই ছুরি দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে সে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদেরকে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা দীপুকে 'মৃত' বলে ঘোষণা করে। শুকদেব বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে রতনের পরিবার ও প্রতিবেশীরা ।
আরও পড়ুন, 'খুনের চেষ্টায়' দোষী সাব্যস্ত হতেই 'অসুস্থ' ৪ TMC নেতা ! ভর্তি হাসপাতালে, কী নির্দেশ বিচারকের ?
গত বছর আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছিল খাস কলকাতায়। সন্দেহের বশে স্ত্রীকে খুন করেছিলেন স্বামী। কৃতকর্মের কথা জানিয়ে ১০০ ডায়ালে ফোনও করেছিলেন অভিযুক্ত। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে স্বামীকে গ্রেফতার করেছিল বেহালা থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছিল বেহালা চৌরাস্তার কাছে রাজা রামমোহন রায় রোড এলাকায়। মৃত গৃহবধূর নাম ছিল সমাপ্তি ওরফে কৃষ্ণা দাস। অভিযোগ, স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন স্বামী কার্তিক দাস। এই নিয়ে অশান্তি লেগেই ছিল। এরপর এক রাতে মত্ত অবস্থায় তুমুল বচসার পর স্ত্রীকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে খুন করেছিলেন স্বামী। এরপর নিজেই ১০০ ডায়ালে ফোন করে পুলিশকে জানিয়েছিলেন।