সমীরণ পাল, বামুনপুকুর: মিনাখাঁয় বিজেপি-র দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ। দলীয় বৈঠক চলাকালীন হামলা হয় বলে দাবি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ বিজেপি-র। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়, বাইক ভাঙচুর করা বলে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েঠে এলাকায়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি তৃণমূল। (Minakhan News)

Continues below advertisement

ঘটনাস্থল থেকে যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, পর পর দাঁড় করিয়ে রাখা মোটর সাইকেলগুলিতে ভাঙচুর চলানো হয়েছে। বিজেপি-র দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুরের চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ। ঘরের মধ্যে থেকে তোলা একটি ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েক জনের জটলা বাইরে। একজন বাইক ভাঙচুর করছে। (BJP News)

বিজেপি-র দাবি, সামনে নির্বাচন উপলক্ষে তাদের দলীয় বৈঠক চলছিল। সংগঠনের কাজে জোর দিতেই বৈঠকের আয়োজন হয়। সেই সময় অতর্কিতে হামলায় চালায় তৃণমূল ও তাদের সমর্থকরা। বিজেপি কর্মীদের মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। কী কারণে হামলা চালানো হল, তা যদিও স্পষ্ট নয়। মিনাখাঁ থানার পুলিশ তদন্তে নেমেছে। বিজেপি-র দাবি, তাদের বেশ কয়েক জন আহত। নির্বাচনের আগে গেরুয়া শিবির উজ্জীবিত হচ্ছে বলেই তৃণমূল হামলা চালিয়েছে বলে দাবি তাদের।

Continues below advertisement

বিজেপি-র বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্যর দাবি, এখনও তাঁদের বেশ কিছুি নেতাকর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বামুনপুকুরের দলীয় কার্যালয়ে তাঁরা নিজেদের মতো বৈঠক করছিলেন। সেই সময় তৃণমূল তাণ্ডব চালাতে শুরু করে। এমনকি দলীয় কার্যালয়ে তাঁদের আটকে রাখা হয়, অন্তত ১০-১১ জন কর্মী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ তাঁর। অনেককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি সুকল্যাণের। তিনি বলেন, "তৃণমূলী হার্মাদ নেতা, সইফুদ্দিনের নেতৃত্বে হামলা। ৩০-৩৫টি বাইক ভাঙচুর করা হয়েছে। ঢিল ছোড়া দূরত্বে থানা। পুলিশ দাঁড়িয়ে মজা দেখছিল। এসপি-র উপর চাপ দেওয়ার পর ওসি যান এবং আমাদের কর্মীদের উদ্ধার করেন। পুলিশ ইচ্ছাকৃত ভাবে তৃণমূলের হার্মাদদের দিয়ে আমাদের কর্মীদের হেনস্থা করার ব্যবস্থা করেছে।"

পুলিশ সূত্রে খবর, সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। এলাকায় পতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরে চাপানউতোর চলছিল। বিজেপি-র তরফে এখনও পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। কতজন জখম, তাও স্পষ্ট জানা নেই। মিনাখাঁ থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই ঘটনায় থমথমে পরিবেশ এলাকায়।