উত্তর ২৪ পরগনা: বারাসাত পুরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে নিকাশি বেহাল। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জমা জলে নাভিশ্বাস উঠছে এলাকাবাসীর। জল নামাতে এবার মাটি কাটার যন্ত্র দিয়ে শুরু হল নিকাশি পরিষ্কারের কাজ।
বারাসাত-ব্যারাকপুর রোডের বড়বড়িয়ায় নর্দমার আবর্জনা সাফ করা হচ্ছে JCB দিয়ে। কালভার্ট ভেঙে জল বার করার উদ্যোগ নিয়েছে বারাসাত পুরসভা। গতকাল বেহাল নিকাশি নিয়ে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। আজ সকালে এলাকায় যান বারাসাত পুরসভার চেয়ারম্যান অশনি মুখোপাধ্যায়।জল থইথই রাস্তা। জলের তলায় কৃষিজমি। একনগাড়ে বৃষ্টি আর সেই সঙ্গে ডিভিসির জল ছাড়ার জেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বহু মানুষ। কৃষিজমি জলের তলায় থাকায় বাড়ছে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা। যেদিকে চোখ যাচ্ছে, শুধু জল আর জল। কোথাও জলের তলায় চলে গেছে হাজার হাজার বিঘার ধান জমি।
কোথাও রাজ্যসড়ক থেকে গ্রামীণ রাস্তার ওপর দিয়ে বইছে জল!কোথাও মাথায় হাত পড়েছে চাষিদের! তো কোথাও চরম জলযন্ত্রণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে হুগলি, হুগলি থেকে বাঁকুড়া সর্বত্র ছবিটা এক। হরিপালের চাষি ও বাসিন্দা সনৎকুমার ঘোষ বলেন, আমাদের এলাকা চারিদিকে ডুবে সাদা হয়ে গেছে। চাষ যেটুকু রোয়া হয়েছিল সমস্ত ডুবে গেছে।
একে তো নাগাড়ে বৃষ্টি। তারপর গোদের ওপরে বিষফোঁড়ার মতো জল ছেড়েছে ডিভিসি। আর এই দুয়ের জেরেই দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা কার্যত জলের তলায়। পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে টানা বৃষ্টিতে জলস্তর বেড়েছে শীলাবতী ও ঝুমি নদীতে। জলমগ্ন ঘাটাল পুরসভার ১৩টি ওয়ার্ড। প্লাবিত ঘাটালের ৫টি পঞ্চায়েতের একাধিক গ্রাম।
ঘাটালের বাসিন্দা নিদান কোলে বলেন, মানুষ যাতায়ত করতে পারছে না। রাস্তাঘাট একেবারে ডুবে যাচ্ছে। জল তো ভালই বেড়ে গেছে। মানুষ যেতে পারছে না। যোগাযোগ একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।এলাকার বাসিন্দাদের যখন ক্রমশ জল যন্ত্রণা বাড়ছে, তখন প্রশাসনের গলায় শোনা গেছে আশ্বাসের সুর! ঘাটালের মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস বলেন,'আমাদের সমস্ত পরিষেবা চলছে। আমরা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছি। আমাদের কন্ট্রোল রুম খোলা আছে। বন্য়া পরিস্থিতি যতদিন উন্নতি না হয় আমাদের এই পরিষেবা চলবে।'
(খবরটি সম্প্রতি ব্রেক করা হয়েছে। বিস্তারিত কিছুক্ষণ পরই দেওয়া হচ্ছে। একটু পরে রিফ্রেশ করুন। জেলা থেকে শহর, দেশ, বিদেশ, বিনোদন থেকে খেলা, বিজ্ঞান থেকে প্রযুক্তি সহ অন্যান্য সমস্ত খবরের আপডেটের জন্য দেখতে থাকুন এবিপি আনন্দ ও এবিপি লাইভ)