বাচ্চু দাস, দার্জিলিং: ফুলবাড়ী মহানন্দা নদীতে তলিয়ে যাওয়ার ঘটনায় নিখোঁজ দুই ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার বিকেলে ডুবে যাওয়ার ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ২০০ মিটার দূরে নদী থেকে মৃতদেহ দুটি উদ্ধার হয়। মৃতদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, “অভিষেক আমি তোমাকে দেখাব..”, কেন এক সময়ের সতীর্থের “ইমিডিয়েট অ্যারেস্ট” চাইছেন তৃণমূলের প্রাক্তন মুখপাত্র কামাল হোসেন ?

Continues below advertisement

মহানন্দা নদীতে নেমে তলিয়ে গেল দুই ছাত্র

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুলবাড়ির মহানন্দা ব্যারেজ এলাকায় স্নান করতে নেমে তিন ছাত্র তলিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছাত্রদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। অবশেষে নদী থেকে দুটি মৃতদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।মৃতদেহ দুটি উদ্ধারের পর পুলিশি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নদী ডুবে মৃত্যু

অতীতে নদী ডুবে মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং থানা এলাকায় গত কয়েক বছর আগে, কেলেঘাই নদীতে ঢুবে মৃত্যু হয়েছিল এক যুবকের। বছর বাইশেই জীব প্রদীপ নিভে গিয়েছিল। জানা গিয়েছিল, বড়দিনে বন্ধুদের সঙ্গে নদীর পাড়ে পিকনিক করতে গিয়েছিল সে। রান্নাবান্না শেষে কয়েক বন্ধু মিলে নদীতে নৌকা করে গিয়ে স্নানে নামতে গিয়েই কাল হয়। মুহূর্তেই তলিয়ে যায় শুভেন্দু দে নামের ওই বছর বাইশের যুবক। সবং গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়েও সেবার রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। 

মায়াপুরেও একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছিল। ছাড়ি গঙ্গার জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছিলল এক যুবক ও এক যুবতীর।   মৃত ওই যুবক মায়াপুর হাসপাতাল পাড়ায় মামার বাড়িতে থাকত।  আসল বাড়ি ছিল শক্তিনগরের বৈকুণ্ঠ সড়কে। অপরদিকে ওই যুবতী চায়নার বাসিন্দা।  গঙ্গায় রাখা জেলেদের একটি ছোট নৌকায় উঠেছিল ওই দুইজন। কিন্তু আচমকাই কারণে নৌকায় জল ঢুকে যাওয়ায় সেটি ডুবে যায়। এই খবর জানাজানি হতেই খোঁজাখুঁজি শুরু হয়েছিল। প্রথমে জল থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়। পরে উদ্ধার করা হয় ওই যুবতীকে। এরপর দুজনকেই স্থানীয় প্রাথমিক মায়াপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পশ্চিম মেদিনীপুরের মতোই, সেবারও  কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেছিলেন।