সুদীপ চক্রবর্তী, উত্তর দিনাজপুর: চোর সন্দেহে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার ইটাল গ্রামে গণপ্রহারে (Lynching) মৃত্যু হল গ্রামেরই এক ব্যক্তির। ভাইরাল হল ঘটনার ভিডিও। পরে খবর পেয়ে, পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে মৃতদেহ। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয়েছে তদন্ত। গ্রেফতার করা হয়েছে ৬ জনকে।
কী ঘটেছিল?ফের সন্দেহের সংক্রমণ। চোর সন্দেহে ফের গণধোলাই! মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। ফের প্রকাশ্যে এল আইন হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনা। ঘটনাস্থল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ থানার ইটাল গ্রাম। বছর ৩৫-এর মৃত ব্যক্তির বাড়ি ওই গ্রামেই। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রায়গঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, গৌরী গ্রাম পঞ্চায়েতের ইটাল গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ শামিম নামে এক ব্যক্তির জমির পাশে জমি রয়েছে মৃত ব্যক্তির।মৃতের পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার ভোরে নিজের জমির ফসল দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। তখনই, সাব মার্শিবল পাম্প চুরি করতে আসার সন্দেহে তাঁকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করেন শামিম, তাঁর পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বেধড়ক গণপ্রহারে ঘটনাস্থলেই মৃত্য়ু হয় আক্রান্তের। ভাইরাল হয়, ঘটনার ভিডিও। ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি এবিপি আনন্দ। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মৃতের বাড়িতে ভিড় করেন প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয় ময়নাতদন্তে। ঘটনায় রায়গঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মৃতের পরিবার। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ৬ জনকে। পুলিশে খবর না দিয়ে কেন আইন হাতে তুলে নিলেন অভিযুক্ত শামিম, তাঁর পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা? পুলিশ সুপার সানা আখতার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার কারা কারা জড়িত তাও দেখা হচ্ছে।
হাওড়ায় এক ঘটনা...গত জানুয়ারিতে এক অভিযোগ উঠেছিল হাওড়ায়। সে বারও চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ। ঘটনাস্থল ছিল হাওড়ার গদাইপুর গ্রামের ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার গভীর রাতে ৩ দুষ্কৃতী মাফুজা বেগম নামে এক মহিলার বাড়িতে হানা দিয়েছিল। বাড়ির বাসিন্দাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। ২ জন পালিয়ে গেলেও একজন ধরা পড়ে যায়। তারপরই শুরু হয় হাত-পা বেঁধে গণপ্রহার।
আরও পড়ুন:'চাকরি হোক, মমতা চান না', মন্তব্য শুভেন্দুর