মালদা: রামনবমীর শোভাযাত্রায় ফের অস্ত্র হাতে মিছিল! মালদায় রামনবমী উদযাপন কমিটির শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে মিছিল যুবকদের। অস্ত্র আনতে নিষেধ করা হলেও তা শোনা হয়নি, সাফাই রামনবমী উদযাপন কমিটির। মালদা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুলিশের। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, BJP প্রার্থীর প্রচার চলাকালীন "হামলা" ! এবার গুরুতর অভিযোগ বেলদায়

Continues below advertisement

রামনবমী উপলক্ষ্যে তৃণমূল-বিজেপি দুই শিবিরই আজও রাস্তায়। গতকাল ভবানীপুরের পর আজ নন্দীগ্রামে রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। টেঙুয়া থেকে নন্দীগ্রামের জানকীনাথ মন্দির পর্যন্ত মিছিলে অংশ নেন তিনি। হনুমান মন্দিরে পুজো দিয়ে 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দেন শিলিগুড়ির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গৌতম দেব। বালুরঘাটে রামনবমীর মিছিলে অংশ নেন স্থানীয় বিজেপি সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর্য সমিতি থেকে থানা মোড় পর্যন্ত হয় শোভাযাত্রা। সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে ছিলেন বালুরঘাট বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিদ্যুৎ রায়। কুলতলির জলাবেড়িয়া থেকে জামতলা বাজার পর্যন্ত রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশ নিলেন এলাকার বিদায়ী বিধায়ক ও এবারের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গণেশচন্দ্র মণ্ডল। বাঁকুড়ায় রাম নবমীর শোভাযাত্রায় লাঠির কসরত দেখালেন বিজেপি প্রার্থী নীলাদ্রিশেখর দানা। রাম নবমীর শোভাযাত্রায় অংশ নেন কাশীপুর-বেলগাছিয়া কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রীতেশ তিওয়ারি। 

ভোটের মুখে বিজেপি প্রার্থীর প্রচার ঘিরে গতকাল রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল বাসন্তী বাজার এলাকা। র‍্যাফের জওয়ান সঞ্জীব গোলদার বলেন, দেখলাম বাইক ভাঙচুর করছে। ঠেকাতে গেলাম। হঠাৎ দেখি পিছন দিক থেকে বাঁশের বাড়ি মাথায়। পড়ে গেলাম, উঠতে পারিনি। ইট দিয়ে ছুড়ে মারল। তারপর লোহা মতো কিছু একটা মনে হল, কী দিয়ে মারল বুঝতে পারলাম না। কিন্তু ওদের কাছে আর্মস..। বৃহস্পতিবার বাসন্তী বাজার এলাকায় প্রচারে যান বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার। বিজেপির অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলার কারণ দেখিয়ে পুলিশ তাঁদের প্রচারে বাধা দেয়। বিজেপির অভিযোগ, পুলিশের সামনেই আচমকা তাঁদের উপর চড়াও হয় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। লাঠিসোঁটা, গাছের ডাল নিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাইক, গাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ। পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশ-RAF। রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় বাসন্তী থানার এক সাব ইনস্পেক্টরকে। বাসন্তী থানার সাব ইনস্পেক্টর সৌরভ গুহ বলেন, আমি যদি মার না খেতাম, তাহলে ৩ জন মরে যেত। বাসন্তী থানার পুলিশ কর্মী  অমিত বিশ্বাস বলেন, উল্টে পিছন দিক থেকে আমাদের বাঁশ দিয়ে বাড়ি মারল। তারপরে দেখে মনে হল সম্ভবত একটা আর্মস দেখলাম। সম্ভবত আর্মস দিয়ে ঘা মারল। মারার পর আমরা ছুটছিলাম। তবুও পিছন দিক থেকে মারছে।