বিটন চক্রবর্তী, পার্থপ্রতিম ঘোষ ও অনির্বাণ বিশ্বাস, কলকাতা: 'জেলে বসেই তোলাবাজি জীবনকৃষ্ণ সাহার', বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী। জেলবন্দি তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। 'এখনও চাকরির জন্য টাকা তুলছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা', এক্স হ্যান্ডলে অডিও পোস্ট করে অভিযোগ শুভেন্দুর।'এটাই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সততার প্রতীক? অবিলম্বে এই কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করুক ইডি। অপরাধী প্রমাণিত হলে নিয়োগ দুর্নীতির সব মামলা রাজ্য থেকে সরানো হোক', ED-র কাছে আর্জি শুভেন্দু অধিকারীর। 

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, 'প্রোটেকশন নিয়ে বসে থেকে মামলার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন রাজ্যপাল, আমিও সুপ্রিম কোর্টে যাব', চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন কল্যাণ

Continues below advertisement

জেলে বসেই চাকরি বিক্রি করছেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। মোবাইল ফোনের স্ক্রিনশট ও অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলেন শুভেনদু অধিকারী। এটাই কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'সততার প্রতীক'? প্রশ্ন তুলে কণ্ঠস্বর পরীক্ষার জন্য ED-র কাছে আর্জি জানিয়েছন তিনি। পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।জেলে বসেও কি চলছে চাকরি বিক্রি-চক্র? গরাদের আড়াল থেকেই কি তোলাবাজি করছেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা? রবিবার এক্স হ্যান্ডলে অডিও ও স্ক্রিনশট প্রকাশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন শুভেনদু অধিকারী। বিরোধী দলনেতার দাবি পুরুষ কণ্ঠটি জীবনকৃষ্ণ সাহার। 

শুভেন্দু বলেন, এক্সামের রেজাল্টেও যেভাবে প্রভাব খাটিয়েছেন, জেলে উনি ফোন ব্যবহার করছেন। জেলে গিয়ে কিছু হবে না, মমতা ব্যানার্জিকে সরাতে হবে। এই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো চোরেরা, জীবনকৃষ্ণ সাহাদের মতো চোরেরা, ED ধরে পাঁচ দিন, দশ দিন PC-তে রাখছে, তারপর তো জেলে পাঠাতে হচ্ছে। জেলে তো ফাইভ স্টার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।  তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,ও (শুভেন্দু) এত টাকা তুলেছে যে হিসেব নেই। সেই সব থেকে নজর ঘোরাতেই এসব বলছে। দল পরিবর্তন করেছে। না হলে ওকেও আজকে জেলে থাকতে হত।

শনিবর রাতেই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য, কল ফর ভেরিফিকেশন তালিকা প্রকাশ করেছে SSC.আর সেই তালিকা ঘিরে নতুন করে দানা বেঁধেছে বিতর্ক!নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় CBI-এর পর ED-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন জীবনকৃষ্ণ সাহা। এদিন তৃণমূল বিধায়কের কণ্ঠস্বর বলে দাবি করে, একাধিক অডিও ক্লিপ প্রকাশ করে,  শুভেন্দু অধিকারী আরও লিখেছেন, ED-কে অনুরোধ করছি, এই কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে দেখুন এবং দোষী প্রমাণিত হলে, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারির মামলাগুলি পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সরানোর চেষ্টা করুন।