কলকাতা: নিয়োগ দুর্নীতির জল গড়িয়েছে অনেকদূর। নতুন করে পরীক্ষায় বসতে হবে, মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরেও আন্দোলনে অনড় চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকারা। এই পরীক্ষাতেও যে দুর্নীতি হবে না, সেই নিশ্চয়তা কোথায় ? প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারীদের একাংশ। এই মামলা এখন আদালতে বিচারধীন অবস্থায় রয়েছে। তবে প্রশ্ন একটাই শেষ অবধি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে চাকরিহারাদের ভবিষ্যত ? সমাধানের পথ কোথায় ? কোথাও ফাঁদ পাতা নেই তো ? উঠেছে প্রশ্ন। ঠিক এমনই টানাপোড়েনের মাঝে, এবিপি আনন্দ-এর বিশেষ অনুষ্ঠান 'যুক্তি-তক্কো' এসে চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকাদের পথ বাতলে দিলেন পদত্যাগী সংসদ জহর সরকার।
আরও পড়ুন, জীবনভর করেছেন দেশের সেবা, পানাগড়ের কাছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু প্রাক্তন সেনা কর্মীর !
'আমি এখনও বলব উপায় আছে, ১৪২ নং সংবিধানের ধারাটা দেখে নিন..'
জহর সরকার বলেন, আমার প্রতিবাদ অন্য ব্যাপারে। সেটা হচ্ছে ৪০ বছর তো কাজ করতে হয়েছিল সরকারে। বিভিন্ন রাজ্যে। কেন্দ্রে। এই রিভিউ পিটিশনটি, আর্টিকেল ১৩৭-এ। রিভিউ পিটিশন যেটি, মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের সামনে রাখা হবে, সেটি কিন্তু শুনানি হয় Chief Justice এর ঘরে। চিফ জাস্টিস পাল্টে গেছে। এখন নতুন চিফ জাস্টিস, এটি শুনবেন কিনা, সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। এই জিনিসটাই টোপ খাইয়ে যাচ্ছে। আমি এখনও বলব উপায় হচ্ছে Article 137 রিভিউতে না যাওয়া। Article 142. ১৪২ নং সংবিধানের ধারাটা দেখে নিন। যেখানে সম্পূর্ণরূপে বিচার করার অধিকার সুপ্রিম কোর্টে আছে।'
'রিভিউ পিটিশন রিজেক্ট হলে , তারপর আবার ১৪২ ধারা চাওয়া কিন্তু মুশকিল হবে..'
পদত্যাগী সংসদ আরও বলেন, 'সেখানে গিয়ে খোলা টেবিলের উপর গুটিগুলি সাজিয়ে বলুন, এটা সন্দেহজনক। এটা সন্দেহজনক নয়। সেই সন্দেহজনকের জন্য যদি কালীঘাটের কাকু টাকা নিয়ে, অন্য কাউকে দিয়ে থাকেন, সেগুলি অন্য ব্যাপার। কোর্টের সামনে সরাসরি বলুন। অনেক লোকের চাকরি জমে আছে। এই রিভিউয়ের টোপ খাওয়াবেন না অল্পবয়সী ছেলে-মেয়েদের। রিভিউ পিটিশন না করে, Article142 -তে Complete Justice ঠিক করুন। এখনও সময় আছে। কারন রিভিউ পিটিশন রিজেক্ট হলে , তারপর আবার ১৪২ ধারা চাওয়া কিন্তু মুশকিল হবে। ১৭ হাজারের একটা তালিকা তৈরি করেছেন আপনারা। সেটা কীসের ভিত্তিতে ? CBI একটা তালিকা তৈরি করেছে, কীসের ভিত্তিতে ? প্রশ্ন তুলেছেন পদত্যাগী সাংসদ জহর সরকার।