কলকাতা: রাতভর অবস্থানের সিদ্ধান্ত চাকরিহারাদের। SSC দফতরের সামনে নতুন করে উত্তেজনা, আন্দোলনকারী শিক্ষকদের পাশে জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ, ধর্নাস্থলে দেবাশিস হালদার, অনিকেত মাহাতো, আসফাকুল্লা নাইয়ারা।

আরও পড়ুন, রাতভর অবস্থানের সিদ্ধান্ত চাকরিহারাদের, 'ভয় পাচ্ছি , RG করের মতো না ক্ষতি করার চেষ্টা করা হয়..' ! দাবি শিক্ষিকার..

এদিন জুনিয়র চিকিৎসক দেবাশিস হালদার বলেন, আমরা যখন আন্দোলনে গিয়েছিলাম, তখন সাধারণ মানুষ পাশে দাঁড়িয়েছিল। আমাদের নাগরিক কর্তব্য আজকে, শিক্ষক শিক্ষিকারা এই মধ্য রাতে গরমের মধ্যে খাবার নেই, জল নেই, রাস্তায় বসে আছেন। আমাদের দায়িত্ব, আমরা ওয়েস্টবেঙ্গল জুনিয়র ডক্তর ফ্রন্টের তরফ থেকে, পাশে দাঁড়াবো। জল, খাবারের ব্যবস্থা করছি। আমরা ফোন করার চেষ্টা করছি, বেশিরভাগ সময়, তাঁরা বলছেন, তাঁদের থ্রেট দেওয়া হয়েছে।     

সোমবার সন্ধে ছ'টা নাগাদ SSC-র তরফে যোগ্য়-অযোগ্য়র তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। চাকরিহারাদের ১৩ জনের প্রতিনিধিদল SSC দফতরের ভিতরে যান বৈঠকের জন্য। দেখতে দেখতে ঘড়ির কাঁটা সন্ধে ছটা পেরিয়ে যায়। কিন্তু SSC কোনও তালিকাই সামনে আনেনি। এর মধ্য়েই চাকরিহারাদের একাংশ দাবি করেন বৈঠকে বলা হয়েছে। প্রথম থেকে তৃতীয় কাউন্সিলিং পর্যন্ত যাঁরা রয়েছেন তাঁরা বৈধ। চতুর্থ কাউন্সেলিং থেকে বাকিরা অবৈধ। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন চাকরিহারারা। বৈঠক শেষে SSC দফতর থেকে বেরিয়ে বললেন চাকরিহারাদের প্রতিনিধি।  এসএসসি দফতর ঘেরাও-এর ডাক দিয়েছেন তিনি। 

চাকরিহারাদের প্রতিনিধি বলেন,' আমরা চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। চেয়ারম্যান স্যার এটা বলেছেন, যে 3rd কাউন্সিলিং অবধি ওনারা Untented মানে not specifically tented, এই লিস্টে রাখবেন। বাকিদেরকে মানে 4th থেকে যোগ্যতার নিরিখে, টাকা না দিয়ে, মেধার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েছি। আমার চাকরি আজকে চলে যাবে। দায় রাজ্য সরকার আর SSC নেবে তো ? আমরা বলেছি, আমি যদি অযোগ্য হই, আমি কিন্তু কাউকে ছেড়ে কথা বলবো না।ওনারা আইনজীবী রেখেছেন। সুপ্রিম কোর্টে, অর্ডার করছেন।.. আজকে দাঁড়িয়ে উনি এসে বলেন, ১ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, আমার চাকরি চলে গেল ! কে বলেছিল ১ বছরের মধ্যে নিয়োগ না করতে ? তাতেও দেরি হয়েছে। সেই সময় বারবার বলেছিলাম, এখুনই নিয়োগ করুন। একবার এখান থেকে পাঠাতেন শিক্ষা দফতর। শিক্ষা দফতর বলতো এসএসসি করছে না। এসএসসি বলছে শিক্ষা দফতর করছে না।'