কলকাতা: সাংবাদিকদের মুখোমুখি  ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, 'রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শেষ অধিবেশনে একটিও প্রশ্ন জমা দিইনি। কারণ, আমাদের বলা হয় যে প্রশ্ন করবেন, তা একটি জায়গা থেকে আসবে। তাতে আমার আপত্তি ছিল। অন্য প্রশ্ন করা যাবে না। জিরো আওয়ারে প্রশ্ন করতে হবে। কর্পোরেট এজেন্সি সাংসদকে প্রশ্ন করবে। সেই প্রশ্ন সাংসদকে করতে হবে? এর থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে ফ্যাসিবাদী মনোভাব। লোকসভায় বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদের সংখ্যা বাড়লে অবাক হব না। '

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, অফিস টাইমে মেঝেতে গড়াগড়ি ‘মদ্যপ’ তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানের, পরিষেবা নিতে এসে চোখ কপালে স্থানীয়দের,ভাইরাল ছবি

Continues below advertisement

এদিন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,’ পার্লামেন্টের যে দুটো হাউজ, সেই হাউজের যে ফাংশানিং, আমার ১৫ মাসের যে অভিজ্ঞতা, ২০২৪ এর ডিসেম্বর থেকে আমার টার্ম শেষ হওয়ার ১ মাস আগে অবধি, মানে পার্লামেন্ট যতদিন চলেছে,তারপর তো আমি ভোটের জন্য যেতে পারিনি শেষ সময়টা। ১৫ মাসের অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি যে, রাজ্যসভা বা লোকসভার অভ্যন্তরে একই সিস্টেম ওখানেও চালু হয়েছিল। যখন এমপি ছিলাম,তিনি কটা প্রশ্ন করেছেন, কটা বিতর্কে অংশগ্রহণ করেছেন, এগুলি সব পাবলিক ডোমেনে থাকে। ..আমি কত প্রশ্ন করেছি, …আমি ২৭৫টা ডিবেটে অংশগ্রহণ করেছি। আমি প্রশ্ন করেছি ৮২৩।এই কারণে বলছি আমি শেষ সেশনে একটাও প্রশ্ন জমা দিইনি।'

তিনি আরও বলেন, লোকে একটু অবাকই হয়েছেন, যারা আমায় চেনেন।৭ টা করে প্রতিদিন প্রশ্ন জমা দিতাম।..নিয়ম করে…কোনও দিন মিস হয়নি।ফলে হঠাৎ আমি শেষ সেশনে একটা প্রশ্ন কেন জমা দিলাম না ? তার কারণ হচ্ছে হঠাৎ করে বলা হল যে, প্রশ্ন যে জমা দেবেন, সেটা একটা জায়গা থেকে আসবে। আমার তাতে আপত্তি ছিল।আমার প্রশ্ন আমিই করব। আমার প্রশ্ন কেন অন্য লোক পাঠাবে। তারপর বলা হল, আপনার পিওসি হচ্ছে এই ব্যক্তি। সে আপনাকে প্রশ্ন পাঠাবে।অন্য কোবনও প্রশ্ন জমা দিতে পারবেন না।পিওসি যেই প্রশ্নটা দেবে, সেই প্রশ্নটাই জমা দিতে হবে।…বলছে এই হচ্ছে জিরো আওয়ারের লিস্ট। এর বাইরে বলা যাবে না। যদিও আমি তা মানিনি, আমি তার বাইরেই বলেছিলাম। কিন্তু এই যে প্রশ্ন, অন্য প্রশ্ন করা যাবে না।আমি যে প্রশ্নটা করব তার দায় তো আমার।’