নারী নিরাপত্তার ব্যাপারে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানাবিধ ব্যবস্থা নিয়েছে রাজ্যের নতুন সরকার, খুলেছে আর জি কর ফাইল 

Continues below advertisement

এই নারী সুরক্ষার প্রসঙ্গের যুক্তি তক্কো অনুষ্ঠানে বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেছেন, 'আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, সরকারের এটা একটা পার্ট, যদি কোথাও কোনও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং প্রমাণ সমেত অপরাধীকে সকালবেলায় ধরা যায়, তাহলে বিকেলবেলাও একটা ব্রেকিং নিউজ পাবেন আপনারা। আমরা তাকে বসিয়ে বসিয়ে বিরিয়ানি খাওয়াবো না।' 

আইটি কর্মীরাই আমার কাছে আসল ঘরছাড়া, তাঁদের ফেরানোর সময় এসেছে 

Continues below advertisement

সজল ঘোষের কথায়, 'বাংলার ৬০ লাখ ছেলেমেয়ে যাঁরা পরিযায়ী হয়ে অন্য কোনও রাজ্যে আইটি লেবার হিসেবে কাজ করছে, আজকে তাঁদের ঘরে ফেরানোর সময় এসেছে। আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, এই সরকার তাঁদের ঘরে ফেরাবে। আমার চোখে প্রধান ঘরছাড়া এরা। এদের ঘরছাড়া কারা করেছে? শুধু তৃণমূলকে দোষ দেব না। এ শুরু হয়েছে বাম আমল থেকে। এ রাজ্যে নতুন কেউ আসছে না। যাঁরা ২-৩ পুরুষ ধরে রয়ে গিয়েছেন, তাঁদের শিকড় এত গভীরে চলে গিয়েছে যে তাঁরা ছেড়ে যেতে চাইছেন না। কিন্তু তাঁদের সন্তান সন্ততিরা আসছে না। আমরা ওড়িশার লোকেদের উড়ে বলে ব্যঙ্গ করতাম। ওড়িশার লোকেরা এ রাজ্যে আসত কল মিস্ত্রি হিসেবে, রান্নার ঠাকুর হিসেবে, জল তুলে লোকের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিত ভাঁড়ি হিসেবে। আর এখন ওড়িশায় আমার বাংলার ছেলেরা পড়তে যায়, কাজ করতে যায়, আর ওড়িশা লাগোয়া জেলায় বাংলার মানুষ চিকিৎসা করাতে যায়। এ লজ্জা, যন্ত্রণা রাখব কোথায়। শিল্প, শিক্ষা - বাম আমল থেকে দুটোকেই এরা তুলেছে। লাল পতাকা এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে লাল মানেই বন্‌ধ। মাতৃভাষা মাতৃদুগ্ধ। এ, বি, সি, ডি পড়তে পাঠাল ক্লাস সিক্সে। আমরা অল ইন্ডিয়ায় পিছিয়ে গেলাম। আর তৃণমূল সাড়ে ৮ হাজার স্কুলই তুলে দিল। সিপিএম শিল্প তুলেছিল। তৃণমূল সেই কারখানার যন্ত্রাংশ বিক্রি করে প্রোমোটিং করে দিয়েছে। যে রাজ্যে টাটা-কে চলে যেতে হয়, সেখানে অন্য কোনও শিল্পগোষ্ঠী কখনও আসতে চাইবে না। ভারতের ইতিহাসে এবং সারা পৃথিবীতে শিল্পক্ষেত্রে টাটা- র একটা অন্য সম্মান আছে।' 

কয়েকদিন আগেই উত্তাল হয়েছিল পার্ক সার্কাস। বিক্ষোভ তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশ। ইট ছোড়া হয় পুলিশকে লক্ষ্য করে। ভাঙচুর করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাসে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় ব্যাপক ভাবে ধরপাকড় চলছে। পার্ক সার্কাসের ঘটনা নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়েছেন, এরম ঘটনা আর ঘটলে তাঁর থেকে খারাপ কেউ হবে না। যুক্তি তক্কো অনুষ্ঠানে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের মুখেও শোনা গিয়েছে পার্ক সার্কাস প্রসঙ্গ। সজল ঘোষ বলেছেন, 'পার্ক সার্কাস নিয়ে তো আমি ভেবেছিলাম তৃণমূল বাংলা বন্‌ধ ডাকবে। সেখানেও তাদের মাঠে দেখতে পাইনি।'