সনৎ ঝা, দার্জিলিং: শিলিগুড়ির কাছে সাহুডাঙ্গির ঠাকুরনগরে ফাঁকা মাঠে আচমকা নামল সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার। সূত্রের খবর, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এমনটা হয়েছে।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন, পাক সেনার কনভয়ে শক্তিশালী IED বিস্ফোরণ, অফিসার-সহ ৬ পাক সেনার মৃত্যু ! ভারতকে অশান্ত করতে চেয়ে বিপাকে পাকিস্তান..

মূলত, কাশ্মীর হামলার পর, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রত্যাঘাতের অপেক্ষায় দেশবাসী। মকড্রিল ঘিরে সীমান্তবর্তী এলাকায় থমথমে দৃশ্য। জল-স্থল-অন্তরীক্ষ নিয়ে বৈঠকের পর বৈঠক চলছে। এমত অবস্থায় হঠাৎ ফাঁকা মাঠে নামল সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার। তবে মুহূর্তে বোঝা গেল আসল কারণটা। শিলিগুড়ির কাছে সালুগাড়া হেলিকপ্যাড থেকে উড়েছিল এই হেলিকপ্টারটি। সূত্রের খবর ইন্ডিয়ান অয়েল-র ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইন রুটিন তল্লাশি করে এই হেলিকপ্টার। এদিকে খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে বায়ুসেনার আধিকারিকেরা। তবে শেষ অবধি পাওয়া খবরে, অবশেষে যান্ত্রিক ত্রুটি সারিয়ে পুনরায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার শিলিগুড়ির সালুগাড়া আর্মি হেলিপ্যাড এর উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।প্রায় ঘন্টা তিনেক ধরে যান্ত্রিক গোলযোগের ফলে সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারটি এনজেপি থানার অন্তর্গত ঠাকুরনগরের অবতরণ করেছিল। অবশেষে বাগডোগরা এয়ারফোর্স এবং সালুগাড়া সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়াররা এসে পুনরায় হেলিকপ্টারটিকে ঠিক করে এখান থেকে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

যে কোনও মুহূর্তে হতে পারে পহেলগাঁও হামলার প্রত্যাঘাত! দেশজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন...পাকিস্তানকে কড়া জবাব দেওয়া হবে কবে? এই প্রক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিলেন রাজনাথ সিং। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুজনেই সন্ত্রাসবাদীদের কড়া জবাব দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন,  যারা জঙ্গি, আর যারা জঙ্গিদের সমর্থন করে, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। 

প্রসঙ্গত, একদিকে ভারতের কূটনৈতিক স্ট্রাইক, আরেকদিকে সেনা অভিযান। কাশ্মীর জুড়ে সেনাবাহিনী-বিএসএফের টানা তল্লাশি অভিযান।বৈসরন ভ্যালিতেই বুলেটপ্রুফ 'জ্যাকেট' পরা সন্দেহভাজন!পুঞ্চে নিয়ন্ত্রণরেখায় থেকে সেনার হাতে আটক পাক-নাগরিক। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গিদের খোঁজে উপত্যকার ১৩ জায়গায় তল্লাশি। যে কোনও মুহূর্তে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ? কাল দেশজুড়ে মক ড্রিল। কলকাতা থেকে কোচবিহার-কাল রাজ্যের ২৬ জায়গায় মক ড্রিল। কলকাতা, কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদা, শিলিগুড়ি। দুর্গাপুর, হলদিয়া, হাসিমারা, বার্নপুর-আসানসোল, ফরাক্কা-খেজুরিয়াঘাট চিত্তরঞ্জন, বালুরঘাট, আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ, ইসলামপুর। দিনহাটা, মেখলিগঞ্জ, বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব মেদিনীপুর, খড়গপুর । পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদে কাল মক ড্রিল।