কলকাতা: সোনা পাপ্পু মামলায় ধৃত জয় কামদারের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি  ED-র । কলকাতা পুলিশের OC-র বদলিতেও লম্বা হাত জয় কামদারের? 'শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল জয় কামদারের। সেই সূত্রেই কলকাতার একাধিক থানার OC-র সঙ্গে যোগাযোগ', বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

Continues below advertisement

 

আরও পড়ুন, ভোটের আগে নন্দীগ্রামে তুলকালাম ! TMC-BJP হাতাহাতি, "ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা", আহত একাধিক..

Continues below advertisement

শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের ২ ছেলের সঙ্গে লেনদেনের তথ্য পেশ করেছে ED। সেখানে দাবি করা হয়েছে,'DCP-র সঙ্গে যোগাযোগের সূত্রে পুলিশেও ব্যাপক প্রভাব রয়েছে কামদারের। একাধিক থানার OC-র বদলিতেও হাত ছিল জয় এস কামদারের। বদলি করার পরে 'মাই লর্ড, থ্যাঙ্ক ইউ' বলে মেসেজ এক OC-র। আশীর্বাদ চেয়ে মাই লর্ড বলে মেসেজ সিঁথির তৎকালীন অতিরিক্ত OC-র', সোনা পাপ্পু মামলায় ধৃত জয় কামদারের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি ED-র। 

হাসপাতালে ভর্তির কারণে, এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা যায়নি ধৃত ব্যবসায়ীকে। ED-র আইনজীবী আদালতে বলেন, আমরা হেফাজত চাইছি। তদন্তে অনেক তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গে এই অভিযুক্তর যোগ আছে। হাসপাতালকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আমাদের অফিসার ওখানে নজরদারি করবে। বিরোধিতা করে অভিযুক্তর আইনজীবী বলেন, আমরা জামিন চাইছি না। তবে এভাবে নজরদারি করাকে চ্যালেঞ্জ করছি। বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে। বিচারক বলেন, আর জি করে চিকিৎসা চলুক অভিযুক্তের। ED-র নজরদারি থাকবে। সোমবারের মধ্যে হয় আদালতে উপস্থিত করাতে হবে নয় তো মেডিক্যাল রিপোর্ট দিতে হবে।

যদিও শেষ অবধি পাওয়া খবরে, আর জি কর হাসপাতাল থেকে ব্যাঙ্কশাল কোর্টে নিয়ে যাওয়া হল জয় এস কামদারকে। সকালে ধৃত ব্যবসায়ীর শারীরিক অবস্থা জানতে হাসপাতালে আসেন ৪ ED আধিকারিক। গ্রেফতারের পর মেডিক্যাল টেস্টের জন্য ধৃত কামদারকে গতকাল বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন, হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন পড়ে। ওই হাসপাতালে বেড না থাকায়, ধৃত ব্যবসায়ীকে নিয়ে জোকা ESI-এর দিকে রওনা দেয় ED। গাড়িতে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন ধৃত ব্যবসায়ী জয় এস কামদার। এরপর গাড়ি ঘুরিয়ে আর জি কর মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয় ধৃত ব্যবসায়ীকে। গতকাল আর জি কর মেডিক্যালে  জয় এস কামদারকে ভর্তি করা হয়।