গৌতম মণ্ডল, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরে তৃণমূল কর্মীর দোকান থেকে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ সরকারি ত্রাণের জিনিস। অভিযোগ, ওই এলাকার ৬৫ নম্বর বুথের তৃণমূল বুথ সভাপতি দেবাশিস মাইতি বেআইনিভাবে ওই ত্রাণসামগ্রী মজুত করেছিলেন। বিষয়টা জানাজানি হওয়ার পর তৃণমূল কর্মীর দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ।                                             

Continues below advertisement

গতকাল সেখান থেকে ৪৩টি ত্রিপল, ১১ বস্তা মাছের খাবার, ১৩ বস্তা চুন-সহ সরকারি ত্রাণের বিপুল জিনিস উদ্ধার করা হয়। গ্রামবাসীদের দাবি, বহুদিন ধরেই বেআইনিভাবে সরকারি ত্রাণের সামগ্রীগুলো তৃণমূল কর্মী ভূপতি মাইতির দোকানে মজুত করেছিলেন অভিযুক্ত তৃণমূল বুথ সভাপতি দেবাশিস মাইতি।                                         

পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার করা ত্রাণের জিনিসগুলো পাঠানো হয়েছে BDO অফিসে। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন।                                               

Continues below advertisement

আরও পড়ুন, অগাস্ট থেকে শুরু হবে জনগণনা, সবাই অংশ নিন; মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আর কী বললেন?

পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হল কয়েক হাজার সরকারি ত্রিপল। অভিযুক্ত শিবশঙ্কর ভারতী এগরা ২ ব্লকের পানিপারুল বাজার এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাড়িতে মেলে থরে থরে সাজানো কয়েক হাজার সরকারি ত্রিপল। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। এগরা থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তরুণ কুমার মাইতির মদতে় ওখানে ত্রিপল লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসীদের একাংশ।

প্রাক্তন বিধায়ক বলেন, সরকারিভাবে ঈদের জামা কাপড় ও বৃষ্টির জন্য ত্রিপল দেওয়া হয়েছিল বিধায়ক কোটায়। নির্বাচনের পরে বৃষ্টির সময় ত্রিপলগুলো সাধারণ মানুষকে বিতরণ করার কথা ছিল। এই ঘটনা সামনে আসতেই পুলিশকে এফআইআর করে তদন্ত শুরু করতে বলেছেন এগরার বিজেপি বিধায়ক দিব্যেন্দু অধিকারী। আর কোথাও এইরকম ত্রিপল জড়ো করা আছে কিনা জানতে অভিযুক্ত শিবশঙ্কর ভারতীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।